খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১

কামানের গোলায় ১৩ জনকে হত্যা

সাক্ষী না থাকায় ২৭ বছর ধরে ঝুলে আছে বিচার

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৩, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
সাক্ষী না থাকায় ২৭ বছর ধরে ঝুলে আছে বিচার
বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্ধকারতম অধ্যায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। এদিন ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এ সময় খুনিদের ছোড়া কামানের গোলায় মোহাম্মদপুরের শেরশাহ সুরি রোডে শিশু ও নারীসহ ১৩ জন নিহত হন। আহত হন আরও ৪০ জন। এ ঘটনার ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার শেষ হয়েছে। কিন্তু একই দিন কামানের গোলায় ১৩ জন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার ২৭ বছরেও শেষ হয়নি।

সাক্ষ্য দিতে আসেন না সাক্ষী

পুলিশের প্রতিবেদনে তথ্য-বিভ্রাট

মামলাটি বর্তমানে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত- ১৩ এ বিচারাধীন। আদালত সূত্রে জানা যায়, এ মামলার আসামিদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো কোনো আসামির দণ্ড কার্যকর হয়েছে। সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদনের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপারকে কোন কোন আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে এবং কেউ মৃত্যুবরণ করেছেন কি না, এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পরে এক আসামির বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। কিন্তু তথ্য-বিভ্রাট থাকায় পুনরায় প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন আদালত। প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ হচ্ছে না। আগামী ১ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে।

শেষ ইচ্ছা পূরণ হলো না বাদীর

তিনি বলেন, দুই বছর আগে আমার স্বামী মারা গেছেন। তার ইচ্ছা ছিল মামলার বিচার দেখে যাওয়ার। বিচার যেন দ্রুত শেষ হয় এ প্রত্যাশা এখন আমাদের।

গোলার বিকট শব্দে প্রকম্পিত হয় মোহাম্মদপুরের শেরশাহ সুরি রোড

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে আক্রমণের সময় সেনা সদস্যরা কামানের গোলা ছুড়লে তা গিয়ে মোহাম্মদপুরের শেরশাহ সুরি রোডের ৮ ও ৯ এবং ১৯৬ ও ১৯৭ নম্বর বাড়ির (টিনশেড বস্তি) ওপর পড়ে। ওই ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ১৩ জন মারা যান। প্রায় ৪০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন সারাজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেন।

নিহতরা হলেন- রিজিয়া বেগম ও তার ছয় মাসের মেয়ে নাসিমা, কাশেদা বেগম, ছাবেরা বেগম, সাফিয়া খাতুন, আনোয়ারা বেগম (প্রথম), ময়ফুল বিবি, আনোয়ারা বেগম (দ্বিতীয়), হাবিবুর রহমান, আবদুল্লাহ, রফিজল, সাহাব উদ্দিন আহম্মেদ ও আমিন উদ্দিন আহম্মেদ।

১৭ আসামি হলেন- লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) সুলতান শাহরিয়ার রশিদ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মহিউদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) বজলুল হুদা, তাহের উদ্দিন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) খন্দকার আব্দুর রশীদ (পলাতক), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) শরিফুল হক ডালিম (পলাতক), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী ইবি (পলাতক), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুল মাজেদ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) এ এম রাশেদ চৌধুরী (পলাতক), মেজর (অব.) রাশেদ চৌধুরী (পলাতক), মেজর (অব.) এ কে এম মহিউদ্দিন আহম্মেদ, মেজর (অব.) আহম্মদ শরিফুল হোসেন ওরফে শরিফুল ইসলাম (পলাতক), ক্যাপ্টেন (অব.) কিসমত হোসেন (পলাতক), ক্যাপ্টেন (অব.) নাজমুল হোসেন আনসার (পলাতক), রিসালদার (অব.) মোসলেহ উদ্দিন (পলাতক), দফাদার মারফ আলী শাহ (পলাতক) ও এলডি মোহাম্মদ আবুল হাসেম মৃধা (পলাতক)।

২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচজনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তারা হলেন- লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) সুলতান শাহরিয়ার রশিদ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মহিউদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) বজলুল হুদা ও মেজর (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ। এ পাঁচজন ছাড়া এ মামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে (প্রয়াত) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। ২০২০ সালের ১২ এপ্রিল ক্যাপ্টেন (অব.) আবদুল মাজেদেরও ফাঁসি কার্যকর হয়। এখনও পলাতক বাকি ১০ আসামি।

বীরগঞ্জে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০২৪, ১১:০১ অপরাহ্ণ
বীরগঞ্জে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের আবাসন কর্মসূচি আশ্রয়ণ-২ পরিকল্পনার আওতায় মঙ্গলবার সারা দেশে গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে আরও ১৮ হাজার ৫৬৬টি বাড়ি হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বেলা ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে সুবিধাভোগীদের কাছে জমির মালিকানা দলিলসহ বাড়ি হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

“আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ৫ম পর্যায়ের (২য় ধাপ) নির্ধারিত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ এবং আশ্রয়ণের জরাজীর্ণ ব্যারাকের বসবাসরত পরিবারকে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে এলাহী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবু হুসাইন বিপু।  এসময় উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়শা আক্তার বৃষ্টি, জেলা পরিষদের সদস্য রোকনুজ্জামান বিপ্লব, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজ কুমার বিশ্বাস,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ মহসীন,  উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হিমেল চন্দ্র রায়, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ছানাউল্লাহ, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ ওসমান গনিসহ ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তা, রাজনৈতিকবৃন্দ, সুবিধাভোগী ও  সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ,আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের পঞ্চম পর্বের দ্বিতীয় ধাপে বীরগঞ্জ উপজেলায় ৮ শত ৯৮টি গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে বাড়ি হস্তান্তরের পাশাপাশি ২৬ জেলার সব উপজেলাসহ আরও ৭০টি উপজেলাকে ভূমি ও গৃহহীন মানুষ মুক্ত ঘোষণা করেন শেখ হাসিনা।

শেরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫ প্রার্থীর কারচুপির অভিযোগ

মোঃ নজরুল ইসলাম জাকি
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ জুন, ২০২৪, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
শেরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫ প্রার্থীর কারচুপির অভিযোগ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কারচুপি, প্রাপ্ত ভোটের ফলাফল পরিবর্তন করাসহ জাল ভোট দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে আটটায় শেরপুর শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন একজন চেয়ারম্যান ও চারজন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন জিহাদী।

গতকাল রাত সাড়ে আটটায় শহরের একটি রেস্তোরাঁয় ওই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ পাঠ করেন শেরপুর উপজেলা নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এম এ হান্নান (জোড়া ফুল)। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত পরাজিত ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিধান ঘোষ (টিয়া পাখি), মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফাতেমা খাতুন ময়না (কলস), মর্জিনা খাতুন (ফুটবল) ও ফিরোজা খাতুন (প্রজাপতি)।

 

সংবাদ সম্মেলনে এম এ হান্নান বলেন, নির্বাচনে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার ইন্ধনে প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা পক্ষপাতিত্ব করে নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তন করেছেন। বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘোষিত ফলাফলের সঙ্গে কন্ট্রোল রুমের ঘোষণা করা ফলাফলের মিল নেই। অনেক কেন্দ্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার সামনেই ব্যালটে সিল মেরে বাক্স ভর্তি করা হয়েছে। ফলাফল ঘোষণা করার আগে লিখিত অভিযোগ করা হলেও একতরফাভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী শিখা খাতুনের (হাঁস) পক্ষে ভোট গণনার ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে।

ওই সংবাদ সম্মেলন পরাজিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ফিরোজা খাতুন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ভোট গণনা শেষে উপজেলার “পানিসারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়” কেন্দ্রে আমার প্রজাপতি প্রতীকে ১৪৪টি ও হাঁস মার্কায় ২৫৩টি ভোট পড়েছে বলে ঘোষণা করা হয় । কিন্তু উপজেলায় এসে আমার ভোট দেখানো হয়েছে ৬৭টি আর হাঁস মার্কার ভোট ৫১৩টি। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার আগে আমি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।’

 

ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ছিলেন বিধান কুমার ঘোষ। নির্বাচনে তাঁর প্রতীক ছিল টিয়া পাখি। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে তাঁকে যে নমুনা প্রতীক দেওয়া হয়েছে, ব্যালটের সঙ্গে তার মিল নেই। তাই ভোটাররা বিভ্রান্ত হয়েছেন। আমি মৌখিকভাবে এ বিষয়ে অভিযোগ করলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।’

সংবাদ সম্মেলনে পরাজিত এসব প্রার্থী এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্নির্বাচনের দাবি করেন। পাশাপাশি এ জন্য তাঁরা আদালতে যাবেন বলেও ঘোষণা দেন।

 

নির্বাচনে কারচুপি, ফলাফল পরিবর্তনসহ নানা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও শেরপুরের ইউএনও সুমন জিহাদী জানান, ‘এই নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে কোনো প্রার্থী আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করেননি। নির্বাচনের দিন ৫ জুন রাত ৮টায় “প্রজাপতি” প্রতীকের একজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আমার মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। আমি তৎক্ষণিক সেটি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছি।’

বীরগঞ্জে গরমে তালের শাঁস বিক্রির ধুম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
বীরগঞ্জে গরমে তালের শাঁস বিক্রির ধুম

প্রচণ্ড গরমে উপজেলা জুড়ে কদর বেড়েছে তালের শাঁসের। একটু স্বস্তি পেতে রাস্তার পাশে ফুটপাতে বিক্রি হওয়া রসালো এই ফলের স্বাদ নিচ্ছেন অনেকে। কচি তালের শাঁস ও পাকা তাল বাংলাদেশসহ এশিয়ার অনেক দেশেই জনপ্রিয়। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই ফলে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। এর বেশিরভাগ অংশ জলীয় হওয়ায় এটা খেলে দ্রুত শরীরে পানিশূন্যতা দূর হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বীরগঞ্জ পৌরসভার মহাসড়কের পাশে ও বাজারগুলোতে তালের শাঁস বিক্রি হচ্ছে। ছোট-বড় সব বয়সের মানুষের পছন্দের খাবার হিসেবে সমাদৃত তালের শাঁস। মানুষের চাহিদা থাকায় পৌরসভা জুড়ে ব্যাপক বিক্রি হচ্ছে এই ফল।

ফুটপাতে দাঁড়িয়ে পরিবারের সবার জন্য তালের শাঁস কিনেছিলেন বীরগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জুলফিকার আলী। তিনি বলেন, ‘বীরগঞ্জে ফরমালিন বা কেমিক্যাল ছাড়া কোনও ফল পাওয়া মুশকিল। সেখানে তালের শাঁস সর্বোৎকৃষ্ট। কোনও ধরনের ভেজাল নেই। তবে তালের শাঁস সুপারশপে বিক্রি হয় না, এটা কেবল ফুটপাত বা গ্রামের বাজারগুলোতে পাওয়া যায়। ছোট শাঁস অনুযায়ী দাম কিছুটা বেশি হলেও এ নিয়ে কিছু বলার নেই। বিক্রেতারা কষ্ট করে কেটে দেয়। লাভ না হলে তারা চলবে কীভাবে।’

আরেক ক্রেতা ও উত্তরের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মাহাবুর রহমান আংগুর বলেন, ‘গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি তালের শাঁস অনেক উপকারী। এটা ডায়েটের জন্য বেশ কার্যকর। এছাড়া শুষ্ক ত্বক ও চুল পড়া বন্ধ করে। লিভার, কোষ্ঠকাঠিন্য, রক্তশূন্যতা এগুলোর জন্যেও উপকারী। এটা খেতেও সুস্বাদু। এজন্য নিজে খেলাম পরিবারের সদস্যদের জন্যেও নিলাম।’

তালের শাঁসের খুচরা বিক্রেতা জয়নাল, গত দশ বছর ধরে গরম এলেই তিনি তালের শাঁস বিক্রি করেন। আগে এলাকায় বিক্রি করতেন, এখন পৌসভার মহাসড়ক ও বাজারগুলোতে বিক্রি করেন। বেচাকেনাও ভালো। দৈনিক সাত-আটশ’ টাকা গড়ে লাভ থাকে। গরম যতো বাড়ে তালের শাঁসের চাহিদাও বাড়ে।

"> ">
বীরগঞ্জে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন শেরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫ প্রার্থীর কারচুপির অভিযোগ বীরগঞ্জে গরমে তালের শাঁস বিক্রির ধুম বীরগঞ্জে ভূমি সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও জনসচেতনতামূলক সভা বীরগঞ্জে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: অর্থমন্ত্রী বাজেটের প্রভাব নেই নিত্যপণ্যের বাজারে অতি উচ্চাভিলাষী বাজেট, বাস্তবসম্মতও নয় : সিপিডি বীরগঞ্জে জাহাঙ্গীর এর দোকানে হরেক স্বাদের চা বীরগঞ্জে ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা বীরগঞ্জে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ অভিযান বীরগঞ্জে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা ৬ দফা : অর্থনৈতিক মুক্তি কি মিলেছে? বিজেপির থেকে বড় সুবিধা পেলেন শাহরুখ! ৬ দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ভারতে বিরোধী দলনেতার পদে রাহুল গান্ধী? শনিবার বাজেট নিয়ে বিরোধীদের জবাব দেবে আ.লীগ ‘বাজেট সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি আরও সুদৃঢ় করবে’ মাসের প্রথম দিনই বেতন-ভাতা পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বাজেটের দিনে খেলাপি ঋণের রেকর্ড ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট, কী পাচ্ছে জনগণ একাধিক গাড়ি থাকলেই দিতে হবে পরিবেশ সারচার্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিলেন আবু হুসাইন বিপু কাহারোল বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত বীরগঞ্জে নিজপাড়া ইউনিয়ন পুষ্টি কমিটি গঠন বিষয়ক সভা বীরগঞ্জে ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা শ্বশুরবাড়ি যেতে না চাওয়ায় মেয়েকে শিকল বেঁধে মা-বাবার নির্যাতন শত ধাপ এগিয়ে থাকা তাইপের বিপক্ষে বাংলাদেশের লড়াকু হার টাকার জন্য শাশুড়িকে জবাই করে হত্যা, আদালতে জামাইয়ের স্বীকারোক্তি এমপি আনার হত্যা : শিলাস্তির দায় স্বীকার