খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১২ বৈশাখ, ১৪৩১

এমপিওভুক্ত হচ্ছে ৯১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশেষ বিবেচনায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
এমপিওভুক্ত হচ্ছে ৯১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশেষ বিবেচনায়

বিশেষ বিবেচনায় এমপিওভুক্ত হচ্ছে দেশের ৯১টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান এমপিও নীতিমালার শর্ত পূরণ না করলেও সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ বিবেচনায় এমপিও দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সম্প্রতি বিশেষ বিবেচনায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির নির্বাচনী এলাকার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তি করা হয়েছে। সংবাদ প্রচারের পর সরকারের মন্ত্রী ও এমপিদের চাপে ৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশেষভাবে এমপিওভুক্তির উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরই অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

এবার দীপু মনির নির্বাচনী আসনে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হওয়ার পর অনেক মন্ত্রী সরকারের উচ্চ মহলের চাপ তৈরি করেন। এরপর চলতি সপ্তাহে ৯১টি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ বিবেচনায় এমপিওভুক্ত করার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও এমপিদের নির্বাচনী উপহার হিসেবে এসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এর কোনো শর্তই মানা হয়নি। শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় যাচাই-বাছাই ছাড়াই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে এ তালিকায় কারিগরি ও মাদ্রাসা নেই বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়ের সূত্র।

কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে তালিকা করা হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তালিকা করা হয়েছে। তবে অবশ্যই এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী কমিটি যাচাই-বাছাই করে এ তালিকা চূড়ান্ত করেছে।

এদিকে, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের ৬ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের অধীনে দুই হাজার ৭১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। শর্তপূরণ না হওয়ায় এমপিওভুক্তি হতে পারেনি সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও এমপিদের নির্বাচনী এলাকার অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তি করা হবে বলে গত নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তারা। তাই আগামী নির্বাচনের আগে এমপিওভুক্ত করা না হলে ভোটে এর প্রভাব পড়তে পারে।

গত বছরের ৬ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের অধীনে দুই হাজার ৭১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। শর্তপূরণ না হওয়ায় এমপিওভুক্তি হতে পারেনি সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও এমপিদের নির্বাচনী এলাকার অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

এমপিওভুক্তির নীতিমালায় যা আছে

এমপিও নীতিমালা- ২০২১ অনুযায়ী, ১০০ নম্বরের মূল্যায়নের ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত করা হয়। ১০০ নম্বরের মূল্যায়নের মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা (৩০ নম্বর), পরীক্ষার্থীর সংখ্যা (৩০ নম্বর) এবং পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার (৪০ নম্বর)। তবে, এ নীতিমালার ২২ ধারায় বিশেষ ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করে এমপিওভুক্তির বিধান রাখা হয়েছে।

২২ ধারায় বলা হয়েছে, শিক্ষায় অনগ্রসর, ভৌগোলিকভাবে অসুবিধাজনক, পাহাড়ি এলাকা, হাওর-বাওর, চরাঞ্চল, ছিটমহল, বস্তি এলাকা, নারী শিক্ষা, সামাজিকভাবে অনগ্রসর গোষ্ঠী (প্রতিবন্ধী, হরিজন, সেবক, চা-বাগান শ্রমিক, তৃতীয় লিঙ্গ ইত্যাদি) এবং বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান, চারুকলা, বিকেএসপিসহ সংস্থা পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত শিথিলযোগ্য।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে গত বছরের ২১ জুলাই পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়। তখন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীনে আবেদন করে চার হাজার ৬২১টি প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ)। এর মধ্যে সব সূচকে এক হাজার ৯৪১টি প্রতিষ্ঠান যোগ্যতা অর্জন করে।

অন্যদিকে, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে দুই হাজার ৫৪৪টি (মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করে। এর মধ্যে মাত্র ২৯৫টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও ৩৫৩টি মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।

দফায় দফায় যাচাই-বাছাই করে গত বছরের ৬ জুলাই দুই বিভাগের অধীনে দুই হাজার ৭১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তখন অনেক যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একইসঙ্গে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা- ২০২১ এর ১৬ ধারার চার উপধারা অনুযায়ী আপিল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তকরণের জন্য আবেদন চাওয়া হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীনে আবেদন জমা পড়ে এক হাজার ৯১৬টি। কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের অধীনে এমপিওভুক্তির জন্য আপিল করে মাদ্রাসা ও কারিগরি পর্যায়ের প্রায় এক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

আপিল নিষ্পত্তি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত ১২ জানুয়ারি আরও ২৫৫টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে পাঁচটি ডিগ্রি কলেজ, ২৭টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ, ২২টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৬৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৮১টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। পাশাপাশি ৩৩টি মাদ্রাসা, ১৭টি এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাতটি এইচএসসি বিএমটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এখনো বেতন-ভাতা পাননি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, বহু বছর ধরে পাঠদানের স্বীকৃতপ্রাপ্ত  প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত না হওয়ায় অনেক শিক্ষক অবসরে চলে গেছেন। অনেকে মারাও গেছেন। বেতন না পেয়ে হাজার-হাজার শিক্ষক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল প্রতি বছর এমপিওভুক্ত করা। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারণে তা হচ্ছে না। বরং এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দকৃত বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত গেছে। এ অবস্থায় বিশেষ বিবেচনায় এমপিও ঘোষণা নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রতি বৈষম্য ও অমানবিক আচরণ করা হবে। সরকারের উচিত মানবিক হয়ে সব স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে এমপিও ঘোষণা করা।

বগুড়ায় বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

জেলা প্রতিবেদক, বগুড়া
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১:১০ অপরাহ্ণ
বগুড়ায় বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। তীব্র গরমে বৃষ্টি প্রত্যাশা করে ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

বৃহঃবার সকাল ৯ ঘটিকার সময় দিকে ভবানীপুর মসজিদ প্রাঙ্গনে খোলা আকাশের নিচে এ নামাজের আয়োজন করেন স্থানীয় মুসল্লিরা।

এতে বিভিন্ন এলাকায় প্রায় শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন। নামাজের ইমামতি করেন সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা শাহাদুজ্জামান। নামাজ শেষে বৃষ্টির আশায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এসময় মুসল্লিরা উল্টো হাতে কেঁদে কেঁদে বৃষ্টি প্রত্যাশায় দোয়া করেন।

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির অভাবে জনজীবন অতিষ্ঠ, খাল-বিল, নদী-নালা শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। পানির অভাবে চাষাবাদও মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মাঠের ফসল। এ কারণেই আল্লাহ তায়ালার দরবারে বৃষ্টি চেয়ে এলাকাবাসী খোলা মাঠে নামাজ আদায় ও দোয়ার আয়োজন করেন।

এছাড়াও উপজেলার শব্দলদিঘী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ও সদর উপজেলার গোদারপাড়ায় সকাল সাড়ে ৮ ঘটিকার সময় ইসতিকার সালাত আদায় করে স্থানীয়রা।

নওগার সাপাহারে বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাপাহার
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১:০৫ অপরাহ্ণ
নওগার সাপাহারে বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। তীব্র গরমে বৃষ্টি প্রত্যাশা করে ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন সাপাহার উপজেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

বৃহঃবার সকাল ৯ ঘটিকার সময় সাপাহার শরফাতুল্লাহ ফাজিল মাদ্রাসার আয়োজনে মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গনে খোলা আকাশের নিচে এ নামাজ আদায় করেন স্থানীয় মুসল্লিরা।

এতে বিভিন্ন এলাকায় প্রায় শতাধিক মুসল্লি অংশ গ্রহণ করেন। ইমাম নামাজের মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে নামাজের নিয়ম-কানুন বলেন এরপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে দুই হাত তুলে প্রচন্ড গরম তীব্র তাবপ্রদাহ ও খরা থেকে রক্ষা পেতে বৃষ্টি প্রার্থনা করেন মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করেন সকলের চোখে জল ঝরে মোনাজাত ও ক্ষমাপ্রার্থনা করেন ইমাম ও মোসল্লীরা নামাজ শেষে বৃষ্টির আশায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এসময় মুসল্লিরা উল্টো হাতে কেঁদে কেঁদে বৃষ্টি প্রত্যাশায় দোয়া করেন।

নামাজে ইমামতি ও দোয়া পরিচালনা করেন সাপাহার সরফাতুল্লাহ ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক ও হেফজুল বিভাগের প্রধান এবং সাপাহার মডেল মসজিদের সাবেক ইমাম মাওলানা ওমর ফারুক।

বৃষ্টির প্রার্থনায় বীরগঞ্জে ‘সালতুল ইস্তিসকার’ নামাজ আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
বৃষ্টির প্রার্থনায় বীরগঞ্জে ‘সালতুল ইস্তিসকার’ নামাজ আদায়

সূর্যের আলোর প্রখরতা, তীব্র দাবদাহে মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। হয়েছে আবহাওয়ার পালাবদল। তীব্র গরম থেকে মুক্তি পেতে দিনাজপুরের বীরগঞ্জের ভোগনগর ইউনিয়নের রহিম বখস্ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃষ্টির আশায় সালাতুল ইস্তেসকার নামাজ ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৪) সকাল সাড়ে দশটার সময় ইস্তেসকার নামাজ অনুষ্টিত হয়। বীরগঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মোঃ মিরাজ রহমান নামাজে ইমামতি করেন। এতে শতাধীক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। গত এক মাস আগেও বীরগঞ্জের যেখানে তাপমাত্রা ছিলো ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে। মাস খানেক পরেই সেখানে বেড়ে দাড়িয়েছে ৪৩ এর কোঁঠায়।

তীব্র রোদ আর ভ্যাবসা গরমে অস্থির জন-জীবন। বৃষ্টি না হওয়া স্বস্তির নিশ্বাস নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। এই গরমে দেখা দিয়েছে খড়তা। বৃষ্টি না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে জমির ফসল। অপর দিকে নষ্ট হচ্ছে গাছের ফল। কিছু অঞ্চলে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় টিউবওয়েল থেকে ঠিকমত উঠছে না পানি।

ভোগনগর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান রাজিউর রহমান রাজু বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে অনাবৃষ্টি ও তীব্র দাবদাহের কারনে জন-জীবন কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে। পশু-পাখী, গাছ-পালা সহ সকলের জন্য অত্যন্ত পানি প্রয়োজন হওয়া আমরা এলাকার যুবকরা মিলে সালাতুর ইস্তেসকার নামাজের আয়োজন করি।’

হাসিনুর ইসলাম বলেন, ‘আমরা এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে খোলা ময়দানে ইস্তেসকার নামাজ আদায় করেছি। অনাবৃষ্টির ফলে তীব্র গরমের কারণে শিশু, বৃদ্ধ, পশুপাখি সকলে কষ্টে জীবনযাপন করছে। রোজাদারদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। গরমের কারণে বাচ্চারা পড়ালেখায় মন বসাতে পারছে না। বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।’

হাফেজ মো: জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘রাসূল (সাঃ) অনাবৃষ্টি ও দূর্ভিক্ষের জন্য সাহাবীদের নিয়ে খোলা ময়দানে ইস্তেসকার সালাত আদায় করেছিলেন। নবী রাসূলের সুন্নাত কে আকড়ে ধরার জন্য বর্তমান বাংলাদেশে অনাবৃষ্টি দেখা দিয়েছে। আমরা খোলা মাঠে সালাতুল ইস্তেসকা নামাজ আদায় করেছি।’

সালাতুল ইস্তেসকার নামাজ ও বিশেষ মোনাজাতে উপস্থিত ছিলেন ভোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ এলাকার সকল মুসল্লিগণ।

নামাজ শেষে বৃষ্টির আশায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ সময় মুসল্লিরা কাঁদতে কাঁদতে আল্লাহর দরবারে দুই হাত তুলে বীরগঞ্জ উপজেলাসহ পুরো বাংলাদেশে বৃষ্টি বর্ষণের জন্য দোয়া করেন।

"> ">
বগুড়ায় বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা নওগার সাপাহারে বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা বৃষ্টির প্রার্থনায় বীরগঞ্জে ‘সালতুল ইস্তিসকার’ নামাজ আদায় বগুড়ায় বৃষ্টির প্রত্যাশায় ইসতিকার নামাজ আদায় শেরপুরে প্রচন্ড তাপদাহে কৃষকের মৃত্যু বগুড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু বোচাগঞ্জে সড়ক নির্মান কাজে ধীরগতি দুর্ঘটনা আর ধুলোবালুতে অতিষ্ঠ পথচারী বীরগঞ্জে প্রাণি সম্পদ সেবা প্রদর্শণী সমাপনীতে পুরস্কার বিতরণ পীরগঞ্জে ভূমি অধিকার বিষয়ক সমাবেশ বগুড়ায় সিনেমা দেখলে বিরিয়ানি ফ্রি আমরা জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার হ্রাস করেছি : শেখ হাসিনা যে দোয়া পড়লে আপনার জন্য জান্নাত ফরিয়াদ করবে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশনে ত্রুটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ৩১ মে আলোচনায় বসতে পাঠানো হয়েছে চিঠি ফের এফ এ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ডার্বি আরও তিন দিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি বীরগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩ টি পদে ১৩ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল সারাদেশে ইন্টারনেটের গতি কম ঈদযাত্রায় ৪১৯ দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮ দাবদাহে পুড়ছে দেশ, ঘরে-বাইরে কোথাও নেই স্বস্তি তাপদাহের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অ্যাসেম্বলি বন্ধ রাখার নির্দেশ সিসি ক্যামেরার আওতায় আসবে কক্সবাজার ছাতকের জাউয়া বাজারসহ তার আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি পীরগঞ্জে কৃষকলীগের ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সারাদেশে তিন দিনের হিট অ্যালার্ট জারি এখনই ‘প্রতিশোধে’ যাচ্ছে না ইরান নিজ বাহিনীতে ফিরে গেলেন র‌্যাবের মুখপাত্র মঈন শিশু হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে থার্ড টার্মিনালের দেয়াল ভেঙে ভেতরে বাস, প্রাণ গেল প্রকৌশলীর বীরগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের জরাজীর্ণ ব্যারাকের  ঘরের নির্মাণ কাজে জেলা প্রশাসক পরিদর্শন