খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১২ বৈশাখ, ১৪৩১

উপ-সম্পাদকীয়

শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভীতি দূর করতে ড. আহাদের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচী

ইয়াহিয়া নয়ন
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৩, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভীতি দূর করতে ড. আহাদের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচী

প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের মাঝে ড.আহাদ

এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের গ্রামের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান পড়তে চায়না। বিজ্ঞানে তাদের আগ্রহ কম। কিন্তু তাদেরকে যদি পদার্থ, রসায়ন,উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিষয়ে জ্ঞান বাড়ানো যায় তবে তা জাতীয় জীবনে অনেক কাজে লাগবে। পাশাপাশি তাদের প্রণিসম্পদ বিষয়ে সাধারন জ্ঞান দিতে পারলেও তা তারা নিজেদের বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে পারবে। আর এই জ্ঞান ধারণা দিতে হবে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক পর্যায় থেকে। কিন্তু কিভাবে তাদের বিজ্ঞানে আগ্রহী করে তোলা যায়।

এই চিন্তা থেকে বিজ্ঞানের বিষয়গুলোকে সহজ পাঠ্য করেছেন একজন শিক্ষাগুরু। তিনি সহজ করে নিজেস্ব জ্ঞান ধারণা দিয়ে বিজ্ঞানের বিষয়গুলোকে তৈরি করেছেন। শিক্ষার্থীদের মাঝে তা প্রয়োগের জন্য তিনি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন। ইতোমধ্যেই তিনি ১২৬ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশিক্ষিত করে তুলেছেন। তার পুরো কাজটাকে প্রশংসিত করেছেন দেশের বরেণ্য শিক্ষাগুরুরা। পদস্থ সরকারি শিক্ষা কর্মকর্তারা বিষয়টিকে ইতিবাচক এবং ব্যপক সম্ভাবনাময় বলে মতামত দিয়েছেন।

প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকদেরকে জাতীয় শিক্ষা বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী ৯ম ও ১০ম শ্রেনির পাঠ্য পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং জীব বিজ্ঞান সমন্ধে পাঠদান করা হয়। এছাড়া ভেটেরিনারি সায়েন্স বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান দেওয়া হয়।

বেশ কয়েক বছর পূর্বে ড. আহাদ প্রথম অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন আমেরিকান একজন নাগরিক সালমান খানের মাধ্যমে। তার পূর্ব পুরুষ বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি আমেরিকায় ২০০৮ সালে “খান একাডেমি” নামক একটি স্থাপনা প্রতিষ্ঠা করেন। এই একাডেমিটি একটি অলাভজনক শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এবং এর মূলমন্ত্র ছিল “পৃথিবীর যেকোন স্থানে, যে কাউকে বিনা মূল্যে বিশ্বমানের শিক্ষা প্রদান করা”। সত্যিকার অর্থে এই বাক্যটি ড.আহাদকে হৃদয়ে মর্মে স্পর্শ করে। তিনি তখন চিন্তা করা শুরু করলেন, সালমান খানের মতো আমাদের দেশের জন্য কিছু করার। প্রাথমিক ভাবে তিনি তার নিজ গ্রাম থেকে কাজটি শুরু করার জন্য চিন্তা করলেন।

তিনি ভাবলেন, কিভাবে তাঁর গ্রামের লোকজন কে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা যায়। এর প্রথম ধাপ হিসেবে, তিনি অনুভব করলেন গ্রামের মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষকদের মাধ্যমে তরুণ ছাত্র-ছাত্রীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং জনসাধারণের নিকট আগ্রহ সৃষ্টি করা যায় কিনা তা পরীক্ষা করা।

ড.আহাদ চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রবায়োলজি ও ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তার ২২ বছরের চেয়েও বেশি শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি মনে করলেন, যদি স্কুল শিক্ষকদের প্রশিক্ষিত করা যায় এবং ঐ প্রশিক্ষিত শিক্ষক তার চাকুরির ২০-৩০ বছরের মধ্যে অনেক ছাত্র-ছাত্রীর সম্মুখীন হবেন। যার ফলে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের মাধ্যমে পরবর্তী কিছুটা সুবিধাবঞ্চিত গ্রামের স্কুল ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষা বিষয়ে উপকৃত হবে। তিনি সেই মোতাবেক কোন প্রকার সম্মানী ব্যাতিরকেই নবম – দশম শ্রেণির স্কুল শিক্ষকদের কে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য পরিকল্পনা করেন।

তিনি তার চিন্তা-ভাবনা আবু খালেদ মো. ছাইফ উল্লাহ কে অবহিত করেন। যিনি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর অফিসে উপ-পরিচালক হিসেবে নিয়োজিত। ড.আহাদ এবং আবু খালেদ মো. ছাইফ উল্লাহ একই এলাকাতে বসবাস করেন। যা বাংলাদেশের দক্ষিন প্রান্তের লক্ষীপুর জেলায় অবস্থিত। তার পক্ষে প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে এলাকার স্কুল শিক্ষকের যোগাযোগ সহজতর ছিল। কারণ, তিনি সেই এলাকার একজন সম্মানিত ব্যাক্তি এবং স্থায়ী বাসিন্দা। জনাব আবু খালেদ মো. ছাইফ উল্লাহ প্রশিক্ষানার্থী শিক্ষকদের উৎসাহের জন্য কিছু আর্থিক সম্মানীর ব্যবস্থা করতে বললেন। তা না হয় হয়তো এই প্রশিক্ষণ তেমন ফলপ্রসূ হবে না। ড.আহাদ এতে কিছুটা হতাশাগ্রস্থ হলেন। কারণ তার পক্ষে নিজের অর্থে প্রশিক্ষণ দেয়াটা দূষ্কর ছিল। কিন্তু তিনি তার স্বপ্ন ভঙ্গ হতে দিলেন না। তিনি মনে করলেন একদিন হয়তো তার এই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।

তিনি তার এই চিন্তা ভাবনাটি তার কিছু সহকর্মী/বন্ধু/ আত্মীয়-স্বজন কে জানালেন। কিছু লোক তার ধারণাটিকে প্রশংসা করলেন এবং কেউ বললেন, এটি হয়তো সম্ভব হবে না। মনে হলো যেন নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো অবস্থা। ড.আহাদকে ২০১৯ সালের ফেব্রæয়ারি মাসে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ২ বছরের মেয়াদের জন্য ডীনের দায়িত্বে নিয়োগ দেয়া হয়। সেই সময় তিনি আন্তর্জাতিক ভেটেরিনারি মেডিকেল কাউন্সিল (আমেরিকান ভেটেরিনারি অঙ্গসংস্থার একটি প্রতিষ্ঠান) থেকে একটি প্রকল্পের আহবান পান। প্রকল্পের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল গ্রামে ভেটেরিনারি শিক্ষার প্রসার করা। লেখক এই সুযোগটিকে কাজে লাগালেন। তিনি তার চিন্তা ভাবনার সাথে ভেটেরিনারি শিক্ষা কে যোগ করে একটি প্রকল্প তৈরি করেন এবং যথাযথ কতৃপক্ষের নিকট দাখিল করেন। দূর্ভাগ্য বশত তার সেই প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়নি।

তিনি পুরো ঘটনাটি বিস্তারিত ভাবে তার এক শিক্ষাগুরু অধ্যাপক মোহাম্মদ শওকত আনোয়ারকে অবহিত করলেন। তিনি আমেরিকার TUFTS Cummings School of Veterinary Medicine বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী-ডিন হিসেবে কর্মরত। আমেরিকার অধ্যাপকের নিকট ঘটনাটি অত্যান্ত হৃদয়গ্রাহী হল। তিনি ড.আহাদকে আশ্বাস দিলেন যে একটি পাইলট প্রকল্পের পরিচালনা করার জন্য অনুদান সংগ্রহ করে দিবেন।

২০২০ সালে কোভিড-১৯ (SARS-CoV2) ভাইরাসজনিত বিশ্ব মহামারীর কারণে মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত পৃথিবীর প্রায় বেশিরভাগ দেশ আক্রান্ত হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনেকদিন যাবত বন্ধ ছিলো। লকডাউনের কারণে জনসাধারণকে নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করতে বলা হয়েছিলো। ড.আহাদ এই সুযোগটিকে কাজে লাগালেন। এই অপ্রত্যাশিত ছুটির দিনে তিনি নবম-দশম শ্রেণীর জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম এবং বোর্ডের অনুমোদিত জীববিজ্ঞান এবং রসায়ন বইটি ইংরেজী ভাষায় নতুনভাবে লিপিবদ্ধ করেন। পদার্থবিজ্ঞান বিষয়টি তিনি আরেকজন ব্যক্তির উপর ন্যস্ত করেন। এই বই দুটিতে তিনি অত্যন্ত সংক্ষিপ্তভাবে ছাত্রদের নিকট বিষয়টি সহজভাবে বোধগোম্য করার জন্য ইন্টারনেট থেকে অনেক ছবি ডাউনলোড করেন।

তিনি আন্তরিকভাবে ঐ সমস্ত জনসাধারণের কাছে কৃতজ্ঞ, যারা তাদের বিষয়গুলো ইন্টারনেটে আপলোড করেছেন এবং ব্যবহারকারীদের জন্য সুযোগ করে দিয়েছেন। ড.আহাদ জীববিজ্ঞান বইটি ইংরেজীতে লিপিবদ্ধ করার পর তিনি তার শ্রদ্ধেয় বড় ভাইকে বইটিকে বাংলায় অনুবাদ করতে অনুরোধ করেন। তার বড়ভাই সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগ-তত্ত্ব এবং বীজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে নিয়োজিত। এই বইটি দ্বারা নবম-দশম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা উপকৃত হবে, এবং স্কুলের শিক্ষকদের জন্যও পাঠদানে সহায়তা করবে।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে ড.আহাদের কর্মসূচী সর্ব মহলে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। এখন প্রয়োজন সরকারের সহযোগিতা। প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের কাজে লাগিয়ে এই কর্মসূচী সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে সরকারের সহযোগিতার প্রয়োজন, এই অভিমত দেশের শিক্ষানুরাগীদের।

 

উত্তরের কণ্ঠ/পিআর/এসআর

বগুড়ায় বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

জেলা প্রতিবেদক, বগুড়া
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১:১০ অপরাহ্ণ
বগুড়ায় বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। তীব্র গরমে বৃষ্টি প্রত্যাশা করে ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

বৃহঃবার সকাল ৯ ঘটিকার সময় দিকে ভবানীপুর মসজিদ প্রাঙ্গনে খোলা আকাশের নিচে এ নামাজের আয়োজন করেন স্থানীয় মুসল্লিরা।

এতে বিভিন্ন এলাকায় প্রায় শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন। নামাজের ইমামতি করেন সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা শাহাদুজ্জামান। নামাজ শেষে বৃষ্টির আশায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এসময় মুসল্লিরা উল্টো হাতে কেঁদে কেঁদে বৃষ্টি প্রত্যাশায় দোয়া করেন।

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির অভাবে জনজীবন অতিষ্ঠ, খাল-বিল, নদী-নালা শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। পানির অভাবে চাষাবাদও মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মাঠের ফসল। এ কারণেই আল্লাহ তায়ালার দরবারে বৃষ্টি চেয়ে এলাকাবাসী খোলা মাঠে নামাজ আদায় ও দোয়ার আয়োজন করেন।

এছাড়াও উপজেলার শব্দলদিঘী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ও সদর উপজেলার গোদারপাড়ায় সকাল সাড়ে ৮ ঘটিকার সময় ইসতিকার সালাত আদায় করে স্থানীয়রা।

নওগার সাপাহারে বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাপাহার
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১:০৫ অপরাহ্ণ
নওগার সাপাহারে বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। তীব্র গরমে বৃষ্টি প্রত্যাশা করে ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন সাপাহার উপজেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

বৃহঃবার সকাল ৯ ঘটিকার সময় সাপাহার শরফাতুল্লাহ ফাজিল মাদ্রাসার আয়োজনে মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গনে খোলা আকাশের নিচে এ নামাজ আদায় করেন স্থানীয় মুসল্লিরা।

এতে বিভিন্ন এলাকায় প্রায় শতাধিক মুসল্লি অংশ গ্রহণ করেন। ইমাম নামাজের মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে নামাজের নিয়ম-কানুন বলেন এরপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে দুই হাত তুলে প্রচন্ড গরম তীব্র তাবপ্রদাহ ও খরা থেকে রক্ষা পেতে বৃষ্টি প্রার্থনা করেন মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করেন সকলের চোখে জল ঝরে মোনাজাত ও ক্ষমাপ্রার্থনা করেন ইমাম ও মোসল্লীরা নামাজ শেষে বৃষ্টির আশায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এসময় মুসল্লিরা উল্টো হাতে কেঁদে কেঁদে বৃষ্টি প্রত্যাশায় দোয়া করেন।

নামাজে ইমামতি ও দোয়া পরিচালনা করেন সাপাহার সরফাতুল্লাহ ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক ও হেফজুল বিভাগের প্রধান এবং সাপাহার মডেল মসজিদের সাবেক ইমাম মাওলানা ওমর ফারুক।

বৃষ্টির প্রার্থনায় বীরগঞ্জে ‘সালতুল ইস্তিসকার’ নামাজ আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
বৃষ্টির প্রার্থনায় বীরগঞ্জে ‘সালতুল ইস্তিসকার’ নামাজ আদায়

সূর্যের আলোর প্রখরতা, তীব্র দাবদাহে মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। হয়েছে আবহাওয়ার পালাবদল। তীব্র গরম থেকে মুক্তি পেতে দিনাজপুরের বীরগঞ্জের ভোগনগর ইউনিয়নের রহিম বখস্ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃষ্টির আশায় সালাতুল ইস্তেসকার নামাজ ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৪) সকাল সাড়ে দশটার সময় ইস্তেসকার নামাজ অনুষ্টিত হয়। বীরগঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মোঃ মিরাজ রহমান নামাজে ইমামতি করেন। এতে শতাধীক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। গত এক মাস আগেও বীরগঞ্জের যেখানে তাপমাত্রা ছিলো ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে। মাস খানেক পরেই সেখানে বেড়ে দাড়িয়েছে ৪৩ এর কোঁঠায়।

তীব্র রোদ আর ভ্যাবসা গরমে অস্থির জন-জীবন। বৃষ্টি না হওয়া স্বস্তির নিশ্বাস নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। এই গরমে দেখা দিয়েছে খড়তা। বৃষ্টি না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে জমির ফসল। অপর দিকে নষ্ট হচ্ছে গাছের ফল। কিছু অঞ্চলে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় টিউবওয়েল থেকে ঠিকমত উঠছে না পানি।

ভোগনগর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান রাজিউর রহমান রাজু বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে অনাবৃষ্টি ও তীব্র দাবদাহের কারনে জন-জীবন কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে। পশু-পাখী, গাছ-পালা সহ সকলের জন্য অত্যন্ত পানি প্রয়োজন হওয়া আমরা এলাকার যুবকরা মিলে সালাতুর ইস্তেসকার নামাজের আয়োজন করি।’

হাসিনুর ইসলাম বলেন, ‘আমরা এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে খোলা ময়দানে ইস্তেসকার নামাজ আদায় করেছি। অনাবৃষ্টির ফলে তীব্র গরমের কারণে শিশু, বৃদ্ধ, পশুপাখি সকলে কষ্টে জীবনযাপন করছে। রোজাদারদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। গরমের কারণে বাচ্চারা পড়ালেখায় মন বসাতে পারছে না। বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।’

হাফেজ মো: জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘রাসূল (সাঃ) অনাবৃষ্টি ও দূর্ভিক্ষের জন্য সাহাবীদের নিয়ে খোলা ময়দানে ইস্তেসকার সালাত আদায় করেছিলেন। নবী রাসূলের সুন্নাত কে আকড়ে ধরার জন্য বর্তমান বাংলাদেশে অনাবৃষ্টি দেখা দিয়েছে। আমরা খোলা মাঠে সালাতুল ইস্তেসকা নামাজ আদায় করেছি।’

সালাতুল ইস্তেসকার নামাজ ও বিশেষ মোনাজাতে উপস্থিত ছিলেন ভোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ এলাকার সকল মুসল্লিগণ।

নামাজ শেষে বৃষ্টির আশায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ সময় মুসল্লিরা কাঁদতে কাঁদতে আল্লাহর দরবারে দুই হাত তুলে বীরগঞ্জ উপজেলাসহ পুরো বাংলাদেশে বৃষ্টি বর্ষণের জন্য দোয়া করেন।

"> ">
বগুড়ায় বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা নওগার সাপাহারে বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা বৃষ্টির প্রার্থনায় বীরগঞ্জে ‘সালতুল ইস্তিসকার’ নামাজ আদায় বগুড়ায় বৃষ্টির প্রত্যাশায় ইসতিকার নামাজ আদায় শেরপুরে প্রচন্ড তাপদাহে কৃষকের মৃত্যু বগুড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু বোচাগঞ্জে সড়ক নির্মান কাজে ধীরগতি দুর্ঘটনা আর ধুলোবালুতে অতিষ্ঠ পথচারী বীরগঞ্জে প্রাণি সম্পদ সেবা প্রদর্শণী সমাপনীতে পুরস্কার বিতরণ পীরগঞ্জে ভূমি অধিকার বিষয়ক সমাবেশ বগুড়ায় সিনেমা দেখলে বিরিয়ানি ফ্রি আমরা জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার হ্রাস করেছি : শেখ হাসিনা যে দোয়া পড়লে আপনার জন্য জান্নাত ফরিয়াদ করবে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশনে ত্রুটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ৩১ মে আলোচনায় বসতে পাঠানো হয়েছে চিঠি ফের এফ এ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ডার্বি আরও তিন দিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি বীরগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩ টি পদে ১৩ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল সারাদেশে ইন্টারনেটের গতি কম ঈদযাত্রায় ৪১৯ দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮ দাবদাহে পুড়ছে দেশ, ঘরে-বাইরে কোথাও নেই স্বস্তি তাপদাহের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অ্যাসেম্বলি বন্ধ রাখার নির্দেশ সিসি ক্যামেরার আওতায় আসবে কক্সবাজার ছাতকের জাউয়া বাজারসহ তার আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি পীরগঞ্জে কৃষকলীগের ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সারাদেশে তিন দিনের হিট অ্যালার্ট জারি এখনই ‘প্রতিশোধে’ যাচ্ছে না ইরান নিজ বাহিনীতে ফিরে গেলেন র‌্যাবের মুখপাত্র মঈন শিশু হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে থার্ড টার্মিনালের দেয়াল ভেঙে ভেতরে বাস, প্রাণ গেল প্রকৌশলীর বীরগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের জরাজীর্ণ ব্যারাকের  ঘরের নির্মাণ কাজে জেলা প্রশাসক পরিদর্শন