খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১২ বৈশাখ, ১৪৩১

ছোনকা হাইস্কুলে শিক্ষকদের গ্রুপিংয়ের স্বীকার অভিযুক্ত শিক্ষিকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ২:৩৮ অপরাহ্ণ
ছোনকা হাইস্কুলে শিক্ষকদের গ্রুপিংয়ের স্বীকার অভিযুক্ত শিক্ষিকা

মোঃ নজরুল ইসলাম জাকি: বগুড়ার শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী স্কুল ছোনকা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের গ্রুপিংয়ের স্বীকার হলেন সিনিয়র শিক্ষিকা ফাতেমা খাতুন। জানা গেছে, গত ১২ সেপ্টেম্বর স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষকা কতৃক মারধরের স্বীকার হয় কাউসার, মীম, নুরাইয়া সহ কয়েকজন ছাত্র/ছাত্রী। এ প্রেক্ষিতে তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা গ্রহন করে এবং অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে  প্রধান শিক্ষিকা কর্তৃক  ইউএনও এবং স্থানীয় চেয়ারম্যানের নিকট অভিযোগ পত্র দাখিল করেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ ঘটিকায় স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীরা জাতীয় সংগীত ও কিছু ফিজিকাল এক্সার সাইজ পরিবেশনের মাধ্যমে স্কুলের দৈনন্দিন কাজ শুরু করা হয়। প্রথমেই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা খুরশিদী খুদার অনুমোতি নিয়ে নবম, দশম ও অষ্টম শ্রেণী কক্ষে প্রবেশ করে ছাত্র/ছাত্রীদের বক্তব্য নেওয়া হয়।

শিক্ষিকা ফাতেমা কেন তাদের মারধর করলেন ?

নবম শ্রেণীর ছাত্র কাউসার অভিযুক্ত শিক্ষিকার পোশাক, ক্লাসে শিক্ষকতার মান এবং চরিত্র সম্পর্কে অভিযোগ করেন। এটা শুনে অভিযুক্ত ফাতেমা ক্লাসে এসে অভিযোগ কারী কয়েকজন ছাত্র ছাত্রীকে মারধর করেন।

ক্লাসে উপস্থিত ছাত্র/ছাত্রীদের কাছে জানতে নবম শ্রেণীর সবাই অভিযোগ সত্য দাবি করেন এবং ১২ অক্টোবর ক্লাস বর্জন করেন কিন্তু দশম শ্রেনীর ছাত্র/ছাত্রীদের  মধ্যে হাবিবুল্লাহ,বর্ণা, ইসরাত জাহান তিথি, লিজা এবং অষ্টম শ্রেণীর নিরব হোসেন সহ সবাই শিক্ষিকা ফাতেমা খাতুনের পোশাক ও শিক্ষকতার মান  নিয়ে তার প্রশংসা করেন।

শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কেন এত অভিযোগ ?

জানা গেছে, শিক্ষক শিক্ষিকার মধ্যে কিছুদিন যাবৎ গ্রপিং হয়েছে। বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে প্রতিপক্ষ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিমান বেশি হয়েছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষিকা ইনুয়ারা এবং শিক্ষক দিলফুজার রহমান রিপন জানান, বর্তমানে শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক গ্রুপিং হয়েছে । আমরা একসাথে করার বিভিন্ন চেষ্টা করেও সফল হইনি। বিপক্ষ গ্রুপিংয়ের শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকাকে না জানিয়ে অথবা অন্য কারো মারফতে দরখাস্থ দিয়ে ছুটি কাটান।

তবে স্থানীয়রা জানান, শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক গ্রুপিংয়ের কারনে নবম শ্রেণীর একজন ছাত্র শিক্ষিকার পোশাক, আচার ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ করা সাহস পান।

এ প্রেক্ষিতে স্কুলের সাবেক সদস্য আব্দুল হামিদ জানান, শিক্ষকদের মধ্যে গ্রুপিং এটা আমার জানা কিন্তু নবম শ্রেণীর একজন ছাত্র শিক্ষকের পোশাক নিয়ে কথা বলবে এটা মেনে নিতে পারছি না। এই যদি অবস্থা হয় তবে ছেলেরা কি লেখা পড়া করবে?

এ ব্যাপারে স্কুলের সাবেক সভাপতি এস এম আরিফুজ্জামান মৃদুল জানান, আমি যখন সভাপতি ছিলাম তখন স্কুলের মান অত্যন্ত ভালো ছিলো কিন্তু বর্তমানে স্কুলের এই অবস্থা । স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা শিক্ষকদের মা বাবা মনে করবে কিন্তু আমার মনে হয় তৃতীয় পক্ষের কোন যোগসাজসে ছাত্র ছাত্রীরা অভিযোগ করার সাহস পেয়েছে। এই স্কুলের ভবিষ্যৎ কি হবে এবং ঐতিহ্যবাহি ছোনকা হাইস্কুলের সম্মান ভুলুন্ঠিত হয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষিকা বলেন, আমি নবম শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের অভিযোগ শুনে রাগ নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারিনি। যাদের আমি সন্তানের মত দেখি, আমার সন্তানের চেয়েও ওরা ছোট, তাদের নিকট থেকে এমন অভিযোগ মেনে নিতে পারি নাই।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকা খুরশিদী খুদা জানান, তার ব্যাপারে আমার কাছে ইতি পূর্বেও মৌখিক অভিযোগ এসেছে এবং গত তারিখে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষিকা যদি রাগ নিয়ন্ত্রন করতে পারতেন তবে ভালো হত। আমি একজন অভিভাবকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহি অফিসারের নিকট অভিযোগ পত্র প্রেরণ করেছি।

 

বগুড়ায় বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

জেলা প্রতিবেদক, বগুড়া
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১:১০ অপরাহ্ণ
বগুড়ায় বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। তীব্র গরমে বৃষ্টি প্রত্যাশা করে ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

বৃহঃবার সকাল ৯ ঘটিকার সময় দিকে ভবানীপুর মসজিদ প্রাঙ্গনে খোলা আকাশের নিচে এ নামাজের আয়োজন করেন স্থানীয় মুসল্লিরা।

এতে বিভিন্ন এলাকায় প্রায় শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন। নামাজের ইমামতি করেন সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা শাহাদুজ্জামান। নামাজ শেষে বৃষ্টির আশায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এসময় মুসল্লিরা উল্টো হাতে কেঁদে কেঁদে বৃষ্টি প্রত্যাশায় দোয়া করেন।

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির অভাবে জনজীবন অতিষ্ঠ, খাল-বিল, নদী-নালা শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। পানির অভাবে চাষাবাদও মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মাঠের ফসল। এ কারণেই আল্লাহ তায়ালার দরবারে বৃষ্টি চেয়ে এলাকাবাসী খোলা মাঠে নামাজ আদায় ও দোয়ার আয়োজন করেন।

এছাড়াও উপজেলার শব্দলদিঘী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ও সদর উপজেলার গোদারপাড়ায় সকাল সাড়ে ৮ ঘটিকার সময় ইসতিকার সালাত আদায় করে স্থানীয়রা।

নওগার সাপাহারে বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাপাহার
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১:০৫ অপরাহ্ণ
নওগার সাপাহারে বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা

তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। তীব্র গরমে বৃষ্টি প্রত্যাশা করে ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন সাপাহার উপজেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

বৃহঃবার সকাল ৯ ঘটিকার সময় সাপাহার শরফাতুল্লাহ ফাজিল মাদ্রাসার আয়োজনে মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গনে খোলা আকাশের নিচে এ নামাজ আদায় করেন স্থানীয় মুসল্লিরা।

এতে বিভিন্ন এলাকায় প্রায় শতাধিক মুসল্লি অংশ গ্রহণ করেন। ইমাম নামাজের মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে নামাজের নিয়ম-কানুন বলেন এরপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে দুই হাত তুলে প্রচন্ড গরম তীব্র তাবপ্রদাহ ও খরা থেকে রক্ষা পেতে বৃষ্টি প্রার্থনা করেন মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করেন সকলের চোখে জল ঝরে মোনাজাত ও ক্ষমাপ্রার্থনা করেন ইমাম ও মোসল্লীরা নামাজ শেষে বৃষ্টির আশায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এসময় মুসল্লিরা উল্টো হাতে কেঁদে কেঁদে বৃষ্টি প্রত্যাশায় দোয়া করেন।

নামাজে ইমামতি ও দোয়া পরিচালনা করেন সাপাহার সরফাতুল্লাহ ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক ও হেফজুল বিভাগের প্রধান এবং সাপাহার মডেল মসজিদের সাবেক ইমাম মাওলানা ওমর ফারুক।

বৃষ্টির প্রার্থনায় বীরগঞ্জে ‘সালতুল ইস্তিসকার’ নামাজ আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
বৃষ্টির প্রার্থনায় বীরগঞ্জে ‘সালতুল ইস্তিসকার’ নামাজ আদায়

সূর্যের আলোর প্রখরতা, তীব্র দাবদাহে মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। হয়েছে আবহাওয়ার পালাবদল। তীব্র গরম থেকে মুক্তি পেতে দিনাজপুরের বীরগঞ্জের ভোগনগর ইউনিয়নের রহিম বখস্ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃষ্টির আশায় সালাতুল ইস্তেসকার নামাজ ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৪) সকাল সাড়ে দশটার সময় ইস্তেসকার নামাজ অনুষ্টিত হয়। বীরগঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মোঃ মিরাজ রহমান নামাজে ইমামতি করেন। এতে শতাধীক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। গত এক মাস আগেও বীরগঞ্জের যেখানে তাপমাত্রা ছিলো ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে। মাস খানেক পরেই সেখানে বেড়ে দাড়িয়েছে ৪৩ এর কোঁঠায়।

তীব্র রোদ আর ভ্যাবসা গরমে অস্থির জন-জীবন। বৃষ্টি না হওয়া স্বস্তির নিশ্বাস নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। এই গরমে দেখা দিয়েছে খড়তা। বৃষ্টি না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে জমির ফসল। অপর দিকে নষ্ট হচ্ছে গাছের ফল। কিছু অঞ্চলে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় টিউবওয়েল থেকে ঠিকমত উঠছে না পানি।

ভোগনগর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান রাজিউর রহমান রাজু বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে অনাবৃষ্টি ও তীব্র দাবদাহের কারনে জন-জীবন কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে। পশু-পাখী, গাছ-পালা সহ সকলের জন্য অত্যন্ত পানি প্রয়োজন হওয়া আমরা এলাকার যুবকরা মিলে সালাতুর ইস্তেসকার নামাজের আয়োজন করি।’

হাসিনুর ইসলাম বলেন, ‘আমরা এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে খোলা ময়দানে ইস্তেসকার নামাজ আদায় করেছি। অনাবৃষ্টির ফলে তীব্র গরমের কারণে শিশু, বৃদ্ধ, পশুপাখি সকলে কষ্টে জীবনযাপন করছে। রোজাদারদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। গরমের কারণে বাচ্চারা পড়ালেখায় মন বসাতে পারছে না। বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।’

হাফেজ মো: জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘রাসূল (সাঃ) অনাবৃষ্টি ও দূর্ভিক্ষের জন্য সাহাবীদের নিয়ে খোলা ময়দানে ইস্তেসকার সালাত আদায় করেছিলেন। নবী রাসূলের সুন্নাত কে আকড়ে ধরার জন্য বর্তমান বাংলাদেশে অনাবৃষ্টি দেখা দিয়েছে। আমরা খোলা মাঠে সালাতুল ইস্তেসকা নামাজ আদায় করেছি।’

সালাতুল ইস্তেসকার নামাজ ও বিশেষ মোনাজাতে উপস্থিত ছিলেন ভোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ এলাকার সকল মুসল্লিগণ।

নামাজ শেষে বৃষ্টির আশায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ সময় মুসল্লিরা কাঁদতে কাঁদতে আল্লাহর দরবারে দুই হাত তুলে বীরগঞ্জ উপজেলাসহ পুরো বাংলাদেশে বৃষ্টি বর্ষণের জন্য দোয়া করেন।

"> ">
বগুড়ায় বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা নওগার সাপাহারে বৃষ্টি চেয়ে কাঁদলেন মুসল্লিরা বৃষ্টির প্রার্থনায় বীরগঞ্জে ‘সালতুল ইস্তিসকার’ নামাজ আদায় বগুড়ায় বৃষ্টির প্রত্যাশায় ইসতিকার নামাজ আদায় শেরপুরে প্রচন্ড তাপদাহে কৃষকের মৃত্যু বগুড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু বোচাগঞ্জে সড়ক নির্মান কাজে ধীরগতি দুর্ঘটনা আর ধুলোবালুতে অতিষ্ঠ পথচারী বীরগঞ্জে প্রাণি সম্পদ সেবা প্রদর্শণী সমাপনীতে পুরস্কার বিতরণ পীরগঞ্জে ভূমি অধিকার বিষয়ক সমাবেশ বগুড়ায় সিনেমা দেখলে বিরিয়ানি ফ্রি আমরা জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার হ্রাস করেছি : শেখ হাসিনা যে দোয়া পড়লে আপনার জন্য জান্নাত ফরিয়াদ করবে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশনে ত্রুটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ৩১ মে আলোচনায় বসতে পাঠানো হয়েছে চিঠি ফের এফ এ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ডার্বি আরও তিন দিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি বীরগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩ টি পদে ১৩ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল সারাদেশে ইন্টারনেটের গতি কম ঈদযাত্রায় ৪১৯ দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮ দাবদাহে পুড়ছে দেশ, ঘরে-বাইরে কোথাও নেই স্বস্তি তাপদাহের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অ্যাসেম্বলি বন্ধ রাখার নির্দেশ সিসি ক্যামেরার আওতায় আসবে কক্সবাজার ছাতকের জাউয়া বাজারসহ তার আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি পীরগঞ্জে কৃষকলীগের ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সারাদেশে তিন দিনের হিট অ্যালার্ট জারি এখনই ‘প্রতিশোধে’ যাচ্ছে না ইরান নিজ বাহিনীতে ফিরে গেলেন র‌্যাবের মুখপাত্র মঈন শিশু হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে থার্ড টার্মিনালের দেয়াল ভেঙে ভেতরে বাস, প্রাণ গেল প্রকৌশলীর বীরগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের জরাজীর্ণ ব্যারাকের  ঘরের নির্মাণ কাজে জেলা প্রশাসক পরিদর্শন