খুঁজুন
সোমবার, ২২ জুলাই, ২০২৪, ৭ শ্রাবণ, ১৪৩১

আজ ১৭২তম ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ জুন, ২০২৪, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
আজ ১৭২তম ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস

৩০ শে জুন ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবসের ১৭২-তম সিধু, কানু দিবস। ১৮৫৫ সালে উপমহাদেশে ভগনাদিঘী গ্রামে প্রায় প্রাথমিক ভাবে ১০ হাজার সাঁওতাল আদিবাসী সহ খেটে খাওয়া মানুষ ইংরেজ শোষনের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহের ডাক দিয়েছিল এটাই সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস নামে পরিচিত। দামিন ই-কোহ নামে ভোগলপুর, বীরভূম মুর্শিদাবাদ রাজমোহলের পাহাড়তলী এলাকায় ১৩৬৩ বর্গমাইল বিস্মৃত এক বনাঞ্চলের গাছ- পালা কেটে আদিবাসীরা আবাদযোগ্য জমি গড়ে তোলে এবং সেখানে ফসল ফলাতে শুরু করে।

এসব অবস্থা দেখে বিট্রিশ সরকার তাদের কাছ থেকে খাঁজনা নিতে শুরু করে। পরবর্তীতে এর মাত্রা আরো অনেক গুনে বেড়ে যায়। এর পরও সাঁওতালদের উপর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কায়দায় নির্যাতন চলে। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে দামিন-ই-কোহতে যখন ফসলের মাঠ ভরে যায়, তখন জমিদারদের চোখ পড়ে সে দিকে। এ অঞ্চলের ফসলের ভাল অবস্থা দেখে বীরভূম বর্ধমান থেকে কিছু বাঙ্গালী এ অঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন শুরু করে।

এর পর সাঁওতাল আদিবাসীদের সাথে তারা মহাজনী কারবার শুরু করে দেয়। কিছু দিনের মধ্যেই অনেক আদিবাসী পরিবার ঋণের জালে আটকা পড়ে। আবার কিছু দিনের মধ্যেই অঞ্চলে থানা, আদালত ও আমলারা আসে। এর পর শুরু হলো জমিদার, মহাজন, পুলিশ ও আমলাদের জুলুম নির্যাতন। ফলে সে অঞ্চলে আদিবাসীদের টিকে থাকা প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।

১৮৪৮ সালে দিকে মহাজনদের জ্বালায় দামিন-ই-কোহ এলাকায় ৩ টি গ্রামের সাঁওতাল পরিবার দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। অন্যায় অত্যাচার সাঁওতালদের ধর্য্যরে মধ্যে থাকলেও মহাজনদের অত্যাচার সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায়। সাঁওতাল আদিবাসীরা মাঠে ফসল ফলায়, আর ফসলের অধিকাংশ যায় মহাজন ও জমিদারদের গোলায়। তাদের এ অবস্থা দেখে ভগনাডির নারায়ন মাঝির চার ছেলে সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৈরব বসে থাকতে পারলেন না। তাদের অন্তরে প্রতিবাদের ঝড় বইতে শুরু করল।

সাঁওতালদের সংকটের সময় জমিদার মহাজনেরা সুযোগ বুঝে কিছু অর্থ, শস্য অধিক সুদে আদিবাসীদের ঋণ দিত। উচ্চ হারে সুদ নিয়েও তারা ওজনে ঠকাতো। তাদের নিরক্ষরতার সুযোগে মহাজন ও জমিদারেরা জাল সহি করা থেকেও বিরত ছিল না। প্রতিবাদ করলে তাদের মামলায় অভিযুক্ত করে সায়েস্থা করে সর্বশান্ত করা হত। এই অবর্ননীয় অবস্থা দেখে প্রতিবাদে এগিয়ে এলেন চার ভাই সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৌরব। সাঁওতালদের অন্যায় অত্যাচার ও মহাজনদের কবল থেকে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে তাদের মধ্যে চিন্তা ভাবনা চলতে থাকে।

অনেক চিন্তা ভাবনার পর স্থির করলেন যে সাঁওতাল রাজ প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে তাদের অবস্থার মুক্তি হবে না। আর এই মুক্তি সংগ্রামে সশস্ত্র বিদ্রোহের প্রয়োজন। আর এ কর্মকান্ডে এলাকার মেহনতি জনগনকে সামিল করতে না পারলে আশানুরুপ ফল হবে না। তারা বিদ্রোহের ডাক সরাসরি না দিয়ে কৌশলের আশ্রয় নিলেন। তারা একদিন এলাকায় লোকজনদের জমায়েত করে ঘোষনা দিলেন তাদের চার ভাইকে ঠাকুর জিও স্বপ্ন আবির্ভূত হয়ে নির্দেশ দিয়েছেন অন্যায়কারী, অত্যাচারী, জোতদার, মহাজন, জমিদারদের উখ্যাত করে সাঁওতাল রাজ্য কায়েমের জন্য।

সাঁওতাল আদিবাসী সহ মুক্তিকামী জনতার মধ্যে উক্ত ঘোষনা সঞ্চলিত হলো। সিধু ও কানু ঘোষনা করলেন ঠাকুরের আর্শিবাদ নিয়ে তারা অত্যাচারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামবেন। ১৮৫৫ সালের গোড়ার দিকে তারা একটি পরোয়ানা প্রচার করলেন। সিধু-কানুর কাছে যখন সাঁওতালরা শুনল ঠাকুর জিও তাদের শোষনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বলেছেন। তখন তরা আর বসে থাকতে পারলেন না। তারা মানসিক ভাবে প্রস্তুত হতে লাগলো বিদ্রোহের জন্য।

আলোচনার জন্য ভগলা দিঘীর গ্রামে সাঁওতালেরা সমবেত হলে সির্দ্ধান্ত মত পরদিন এক সঙ্গে সবাই শিকারে বেরুবে। পরদিন সিধু-কানুর নেতৃত্বে ৪০/৫০ জন সাওতাল যুবক অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শিকারে যাওয়ার পথে দারোগা মহেশ দত্ত, ২ জন সিপাহী ও কয়েক মহাজনের সামনে পড়ে তারা। দারোগার সঙ্গে ২টি দড়ি বোঝাই গাড়িও ছিল।

মূলত তারা সাঁওতালদের ঘোষনা ও সিদ্ধান্ত জানতে পেরেছে। দারোগার সঙ্গে তাদের পথি মধ্যে তাদের বাক-বিতিন্দার এক পর্যায়ে বিদ্রোহী সিধু-কানু সশস্ত্র দল ঘটনা স্থলে দারোগা মহেশ এবং কানু, মানিক রায় মহাজনকে উত্তেজিত ও সংগঠিত সাঁওতালরা হত্যা করে। এ ঘটনার পর ভাগোরপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় সরকারী বেসরকারী লোকজন সহ অত্যাচারী জমিদার ও মহাজন অনেকে সাঁওতালদের হাতে নিহত হয়।

১৮৫৫ সালে ১৭ আগষ্ট সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণের অহবান জানানো হলো। বিদ্রোহীরা সরকারের আহবান ঘৃনা ভরে প্রত্যাখান করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার সেনাবাহিনী মাঠে নামায় এবং পরিস্থিতী সামাল দিকে শত শত বিদ্রোহীকে হত্যা করা শুরু করে সেনাবাহিনী। এক দিকে কামান বন্ধুক অপর দিকে তীর ধনুকের লড়াই। কয়েক দিনের মধ্যেই সেনাবাহিনী ভগলা দিঘীর গ্রাম ধ্বংস করে দেয়।

সিধু-কানুর বাড়ি সহ গ্রামের সব বাড়ী আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হলো। আশ্রয়হীন ও খাদ্যহীনতার কারণে অনেকে দুর্বল ও অনেকে ধরা পরে। বিদ্রোহীদের মনোবন আস্তে আস্তে দুর্বল হতে লাগল। কানু সঙ্গীদের নিয়ে হাজারীবাগ অভিমুখে পালাবার সময় জারয়ার সিং নামক ব্যক্তির তৎপরতায় ১৮৫৫ সালের ৩০ নভেম্বর ধরা পড়েন।

শেষে কানুর বিরুদ্ধে রাজদ্রোহ, লুন্ঠুন, অত্যাচার ও হত্যার অভিযোগে ১৮৫৬ সালের ১৪,১৫ ও ১৬ জানুয়ারী স্পেশাল কমিশনার এলিয়টের এজলাসে তাদের বিচার হয়। বিচারে কানুকে মৃত্যেুদন্ডে দন্ডিত করা হয়। এই বিদ্রোহে ৩০ হাজার আদিবাসী প্রাণ হারায়। আজ ১৬৮ বছর বিদ্রোহের পার হলেও আদিবাসীরা অত্যাচার আর শোষন থেকে মুক্ত হয় নি।

বিট্রিশ সরকার গেছে, জমিদার মহাজন গেছে, তবুও আজ স্বাধীন দেশে বাংলাদেশের মাটিতে বিট্রিশ সরকারের তুলনায় কম নির্যাতিত হচ্ছে না বলে আদিবাসীদের অভিযোগ উঠেছে। এখনও তাদের জমি-জায়গা জাল করা হয়। তাদের প্রতি মিথ্যা মামলা নির্যাতন নিত্য দিনের সাথী।

৩০ শে জুন অন্যায়ের বিরুদ্ধে আদিবাসীদের প্রতিবাদের দিন। সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৌরব শিখিয়ে গেছে, সত্য প্রতিষ্ঠায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে। তাই উপমহাদেশ সহ পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষ এই দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিদ্রোহ দিবস হিসেবে প্রতি বছর পালন করে থাকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪, ২:৫০ অপরাহ্ণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ২৪(এল) ধারার ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ ১৭ জুলাই, ২০২৪ বুধবার সকাল ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী সংঘর্ষে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের আহত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়:

dhakapost

১. উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ২৪(এল) ধারার ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো।

২. আজ ১৭ জুলাই ২০২৪ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব আবাসিক হল/হোস্টেলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের হল/হোস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হলো। পরবর্তীতে হল খোলার পর মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ করে শিক্ষার্থীদের হলে ওঠানো হবে। বহিরাগত কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও অবস্থান না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।

৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

৪। বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সমাধানের জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানানো হলো।

এর আগে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সারা দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শ্রেণি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাত ১১টায় দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশনা দেয় ইউজিসি। কমিশনের সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল, টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য কলেজসহ সব কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশনা দিয়ে নিরাপদ আবাসস্থলে অবস্থানের নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

এছাড়া, রাত সাড়ে ১০টা ২০ মিনিটে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় বিষয়টি বিবেচনায় অনির্দিষ্টকালের সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সব কলেজ ও প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য  ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

শনিবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় উপজেলা কমপ্লেক্স পৌঁছে জরুরি বিভাগ, কমিউনিটি ভিশন সেন্টার, বিভিন্ন কনসালট্যান্টের রোগীদের সেবা প্রদানের দপ্তর  পরিদর্শন করেন, ডেলিভারির লেভার কক্ষ পরিদর্শন করেন ।

এইখানে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের সাথে কথা বলেন। তাছাড়া কমপ্লেক্সের বেডে ভর্তিকৃত চিকিৎসাধীন রোগীদের দেখেন এবং চিকিৎসা সেবা বিষয়ে রোগীদের সাথে কথা বলেন। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

তিনি চিকিৎসকের নানাবিধ সমস্যার বিষয়ে তাঁর প্রত্যক্ষ ধারনা রয়েছে বলে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন তাঁর প্রচেস্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার বিষয়ে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন।  এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নরমাল ডেলিভারির জন্য কমপ্লেক্সের দায়িত্ব প্রাপ্ত চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে হাসপাতালের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, স্বাস্থ্য সেবার উন্নতির জন্য আন্তরিকভাবে চেস্টা করবেন বলে জানান।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা,  রংপুর বিভাগীয় সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোস্তফা জামান চৌধুরী, দিনাজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ এ এইচ এম বোরহান-উল-ইসলাম সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে এলাহী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরিয়াস সাঈদ সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ ডা: মোহাম্মদ মহসিন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আফরোজা সুলতানা লুনা এবং কনসালটেন্টবৃন্দ সহ ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম

দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ৬ নং নিজপাড়া ইউনিয়নের ৩ এর (ক) ইউনিটে পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন মোছা: মরিয়ম বেগম

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম ২০২৩-২০২৪ সালে পরিবার পরিকল্পনা সেবা, গর্ভবতী মা ও শিশু সেবা, কিশোর কিশোরীর প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা, প্রসবোত্তর সেবা ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ অবদান রাখায় মোছা: মরিয়ম বেগম অষ্টম বারের মত বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী (F.W.A) নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি ইতিপূর্বে জাতীয় পর্যায়ে দুইবার ও বিভাগীয় পর্যায়ে ছয়বার শ্রেষ্ঠ কর্মী-পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে নির্বাচিত হন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সম্মাননা হিসেবে ২০১৭ সালে চীন দেশ ভ্রমণ করেন ।

বৃহস্পতিবার (১১জুলাই, ২০২৪) সকাল ১০ঃ৩০ মিনিটে রংপুর সিভিল সার্জন মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী নির্বাচিত হওয়ায় তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও প্রশংসাপত্র প্রদান করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার জনাব মো. জাকির হোসেন, রংপুর বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. এ.বি.এম আবু হানিফ, রংপুর জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ মোবাশ্বের হাসান, রংপুর সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা জামান চৌধুরী, রংপুর উপ-পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা ডা. শেখ মোঃ সাইদুল ইসলাম ও সভাপতি- পরিবার পরিকল্পনা-রংপুর জনাব মোঃ এনামুল হক। এ বিষয়ে মোছা : মরিয়ম বেগম বলেন, এ সাফল্যের অংশীদার আমার মেডিকেল অফিসার (MCHFP)ডা. মো :নাহিদুজ্জামান  ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, জনাম মো: ওবায়দুর রহমান, (বীরগঞ্জ)

আমার এই শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারটি সকল সহকর্মী ও ইউনিয়নের জনসাধারণের। ইনশাল্লাহ এভাবেই আমি আমার অবদান পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে দিয়ে যাব।

উত্তরের কন্ঠ /এ,এস

"> ">
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম বীরগঞ্জে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন দীর্ঘদিন ধরে সাব-রেজিস্ট্রারের পদ শূন্য থাকায় বিপাকে জমি ক্রেতা ও গ্রহিতা, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার নরসিংদীতে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত ৫ জনকে পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান কোমর দুলিয়ে ঝড় তুললেন পারসা ইভানা যারা অবৈধ অনুপ্রবেশ করেন তারাই বিএসএফের হাতে মারা পড়ছেন আটোয়ারীতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল নানি-নাতনির জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন লেগ স্পিনার রিশাদ কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা হাজীগঞ্জে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার আবেদ আলীর কাছে চাকরি প্রার্থীদের নিয়ে যেতেন প্রিয়নাথ আবেদ আলীসহ ৪ আসামির জামিন নামঞ্জুর গুজরাটে ১০ পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে গেলেন দুই হাজার প্রার্থী বর্ষায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে তুলসি পাতা মালয়েশিয়ায় ১২ বাংলাদেশি আটক আমদানি এলসি সামান্য বাড়লেও কমেছে নিষ্পত্তি দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা হরিজন সম্প্রদায়ের কুবি উপাচার্যকে দেখেই ক্ষেপে গেলেন শিক্ষার্থীরা, জুতা নিক্ষেপ গাজীপুরে কাঁঠাল পাড়া নিয়ে মেয়েকে গলা কেটে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুর খনন করতে গিয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হঠাৎ দুই ভাইয়ের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে সন্দেহ হয় এলাকাবাসীর হৃতিকের ‘ওয়ার ২’ ছবিতে থাকছে বড় চমক চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে প্রাণ গেল তিনজনের বগুড়ায় ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪ বীরগঞ্জে ডাকবাংলো ও জেলা পরিষদের জমি ডাক্তার খানা মাঠে মার্কেট নির্মাণ বিষয়ক আলোচনা সভা বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক নির্বাচিত হলেন মো: শাহীনুর ইসলাম কাহারোলে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন দুই দিনের সফরে উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী