খুঁজুন
সোমবার, ২২ জুলাই, ২০২৪, ৭ শ্রাবণ, ১৪৩১

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ : আবারও চ্যাম্পিয়ন ভারত

পবিত্র কুন্ডু প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ জুন, ২০২৪, ২:৪৪ অপরাহ্ণ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ : আবারও চ্যাম্পিয়ন ভারত

কেনসিংটন ওভালের পাশের সমুদ্রে রোহিত শর্মা ডুব দিয়েছেন কি না বলতে পারি না। দিয়ে থাকলে তা সৌরভ গাঙ্গুলীর অনুমান মতো ব্যর্থতার জ্বালা জুড়াতে নিশ্চয়ই নয়। বরং সাফল্যের আনন্দে এতদিনের তৃষিত হৃদয়কে সুনীল সলিলের অবগাহনে শান্ত করতে।

দক্ষিণ আফ্রিকার মতো পলাতক তকমাটা প্রায় সেঁটে যাচ্ছিল ভারতের গায়ে। তা প্রায় মৌরসী পাট্টা গেড়ে বসে যাওয়ার আগ মুহূর্তে খসিয়ে ফেলতে পারলেন রোহিতরা।

হ্যাঁ, রোহিতরাই। এখানে বহুবচন। সবার মিলিত অবদানেই দারুণ এক জয় ছিনিয়ে নিতে পারলো টিম ইন্ডিয়া। রোহিত অনেকটাই নিজের ব্যাটে চড়িয়ে ভারতকে এনে তোলেন ফাইনালে। যেখানে তার ব্যাটের অবদান মাত্র ৯ রান। কিন্তু তার প্রত্যাশা মতোই জমিয়ে রাখা রানগুলো ফাইনালের ২২ গজে ছেড়ে দিলেন বিরাট কোহলি।

আগের ৭ ম্যাচে যে কোহলির মোট রান মাত্র ৭৫, সেই কোহলিই একপ্রান্ত থেকে রোহিত-ঋষভ-সূর্যকুমারের অকাল বিদায়ের মিছিলে দাঁড়িয়ে একাই করলেন ৭৬ রান। তার সঙ্গে রানের আরেক জোগানদার হলেন অক্ষর প্যাটেল। তাতেই ভারত পেয়ে যায় লড়াই করার মতো রানের পুঁজি।

কিন্তু এই দক্ষিণ আফ্রিকা একটু অন্যরকম। এরা এতদিন সেমিফাইনালে গিয়ে হৃদয় ভাঙার অজস্র গল্প লিখে শোক থেকে জমিয়েছে শক্তি। এই বিশ্বকাপেও হারের কিনারায় গিয়ে প্রায় সবগুলো ম্যাচ জিতে দাঁড়িয়েছে ফাইনালে। তাই চাপ কাকে বলে তারা জানতো। জানতো সেই চাপ জয়ের মন্ত্রও। তাই বলার উপায় ছিল না যে ভারত কেক-ওয়াক করে ট্রফি নিয়ে যাবে কেনসিংটন ওভাল থেকে। রান তাড়ায় লড়াকু মানসিকতা প্রোটিয়ারা তাই দেখিয়ে দিয়েছে ভালোমতোই।

ভারত তাদের তৃতীয় ফাইনালে করলো টি-২০ বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১৭৬ রান। শুরুটা খুব ভালো না হলেও মাঝ ওভারে গিয়ে ভারতীয় বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান মূলত হেনরিখ লারসেন, সঙ্গে কুইন্টন ডি কক। তাদের মিলিত ধ্বংসযজ্ঞে ভারত-বধ প্রায় যখন সম্পন্ন, খেলার মধ্যে মোচড় দেখা দিলো।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়; ছবি : সংগৃহীত

৩০ বলে ৩০ রান দরকার, হাতে ৬ উইকেট। কত বল আর কত উইকেট হাতে রেখে প্রোটিয়ারা তাদের ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ জিতবে, এর বাইরে আলোচনার বিষয়বস্তু আর কিছু হতে পারে না তখন। সেইখান থেকেই হেরে বসলো এইডেন মার্করামের দল।

ভারতের উইকেট কিপার ঋষভ পন্ত পায়ের পেশিতে চোট পেলেন। তার শুশ্রূষার জন্য ব্যয় হলো কয়েক মিনিট। এই বিষয়টাই ক্লাসেনের মনোসংযোগে বিঘ্ন ঘটিয়ে থাকতে পারে।

এই দক্ষিণ আফ্রিকা একটু অন্যরকম। এরা এতদিন সেমিফাইনালে গিয়ে হৃদয় ভাঙার অজস্র গল্প লিখে শোক থেকে জমিয়েছে শক্তি। এই বিশ্বকাপেও হারের কিনারায় গিয়ে প্রায় সবগুলো ম্যাচ জিতে দাঁড়িয়েছে ফাইনালে। তাই চাপ কাকে বলে তারা জানতো।

রোহিত শর্মা বল দিলেন হার্দিক পান্ডিয়াকে। ফুল লেন্থে করা পান্ডিয়ার প্রথম বলটিকেই শরীর থেকে একটু দূরে সরে ব্যাট চালিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ ক্লাসেন। তার ফেলে আসা ২৭ বলে ৫২ রানের ইনিংসটা তখন যেন কান্না ছাপিয়ে ভারতীয়দের সম্ভাবনার হাসি হয়ে ঝরছে।

এরপর শেষ স্পেলে ফিরে যশপ্রীত বুমরা ফেরান মার্কো ইয়ানসেনকে। তখনো আশা শেষ হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। আরেক প্রান্তে টিকে আছেন ডেভিড মিলার, সাদা বলে বোলারদের শিরদাঁড়ায় নিয়মিতই কাঁপন ধরান বলে যার পরিচিত ‘কিলার মিলার’। শেষ ওভারে দরকার ১৬ রান। চারটি বাউন্ডারি হলেই মামলা শেষ।

পান্ডিয়ার প্রথম বলটি ফুল টস, ওয়াইড। হাঁকালেন মিলার। লং অফ বাউন্ডারির বাইরেই তার ঠিকানা লেখা ছিল। কিন্তু অলৌকিকভাবে  ক্যাচ বানিয়ে ফেললেন সূর্যকুমার যাদব, যার ব্যাটে বরাবরই আস্থা খোঁজা ভারতকে টানা তিনটি সাদা বলের ফাইনালে কেবল হতাশাই উপহার দিয়েছেন।

ওয়াইড লং অফ থেকে দৌড়ে এসে শরীর ভাসিয়ে দেন হাওয়ায়, ভেসে থাকা অবস্থায় বল চালান করে দেন মাঠের মধ্যে। তারপর অদ্ভুতভাবে শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করে তালুবন্দি করেন ক্যাচ। এই ক্যাচটি কেমন তা শুনতে পারেন কপিল দেবের কাছে।

১৯৮৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে ভিভ রিচার্ডসের ক্যাচ নিয়েছিলেন কপিল অবিশ্বাস্যভাবে। ওই ক্যাচটিই ভারতকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করেছে কি না সেই ঘোর আজও পৃথিবীর কাটেনি। সূর্যকুমারের এই ক্যাচটিও অনন্তকাল থেকে যাবে টি-২০ ক্রিকেটের বিশ্ব জয়ের উপাখ্যানে।

যারা এই ফাইনালকে মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনা দিলো স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইয়ের আগুন জ্বেলে, তাদের চোকার্স বলাটা অন্যায্য হবে। তবে মিলারের বিদায়ের পর এটি নিশ্চিতই বলে দেওয়া গিয়েছিল, বাকি পাঁচ বল থেকে ১৬ রান তুলতে পারবে না দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ বলটিকে ডিপ মিডউইকেটে পাঠিয়ে নর্কিয়া একটি রান নেওয়ার পর সব শেষ।

প্রোটিয়ারা ডুবে গেছে পরাজয়ের বিষাদে। কিন্তু ভারতীয়দের চোখেও তো তখন জল আর জল। শ্রাবণধারা। রোহিত কাঁদছেন, হার্দিক কাঁদছেন। সিরাজের চোখে অশ্রু। বুমরার চোখ বাষ্পরুদ্ধ। রোহিত চুমু খাচ্ছেন হার্দিককে। আবেগে জড়িয়ে ধরেছেন স্ত্রীকে। শরীরের আড়ালে ঢাকা পড়ে গেছে তার অশ্রুভেজা চোখ। বুমরা আলিঙ্গনে বেঁধেছেন স্ত্রী সঞ্জনাকে। হার্দিক একা তেরঙা জাতীয় পতাকা নিয়ে ঘুরছেন মাঠময়। ব্রিজটাউন তখন সত্যিকারের আবেগপুর।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়; ছবি : সংগৃহীত

আর আবেগের কথাটা গলায় তুলে এনে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিকে বিদায় বলে দিলেন বিরাট কোহলি। একই সঙ্গে বিদায় হলো ভারতীয় ক্রিকেটের আরেক মহীরুহের। তিনি রাহুল দ্রাবিড়। ভারতীয় ক্রিকেটের বিশ্বস্ত এই সেবকের ক্যারিয়ার শেষ হয়েছিল বড় এক অপূর্ণতা নিয়ে। কোনো বিশ্বকাপ ট্রফিতে হাত ছোঁয়াতে পারেননি।

ভারতীয়দের চোখেও তো তখন জল আর জল। শ্রাবণধারা। রোহিত কাঁদছেন, হার্দিক কাঁদছেন। সিরাজের চোখে অশ্রু। বুমরার চোখ বাষ্পরুদ্ধ। রোহিত চুমু খাচ্ছেন হার্দিককে।

এই ওয়েস্ট ইন্ডিজেই ২০০৭ সালে ভারত অধিনায়কের টুপি পরে গিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি জিতবেন বলে। গ্রুপ পর্বেই হেরে বড্ড গ্লানিময় ছিল তার এবং ভারতের বিদায়। কোচ হয়ে আরও তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনাল থেকে ফিরেছেন খালি হাতে। এবার বিদায় বেলায় সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজই তাকে ভরিয়ে দিলো প্রাপ্তির আলোয়।

১৭ বছর পর ব্রিজটাউনে যেন জোহানেসবার্গ ফিরিয়ে এনে জিতল ভারত। ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপের এমন স্নায়ুক্ষয়ী এক ফাইনালই জিতেছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত। এবার রোহিত শর্মার ভারত জিতলো ৭ রানে।

প্রতিপক্ষ, সেই দক্ষিণ আফ্রিকা, যে দেশ থেকে সংক্ষিপ্ততম ক্রিকেটের প্রথম সেরার মুকুট উঠেছিল তাদের মাথায়। আর সেই জয়ের সরণি ধরেই পরে টি-২০ ক্রিকেটের রাজধানী হয়ে উঠেছে ভারত।

দ্বিতীয় ট্রফিটা ভারতের হাতে তাই বেমানান লাগছে না। ভ্রমণ সূচি থেকে শুরু করে ভেন্যু নির্বাচন—সবকিছুতেই ভারতকে সুবিধা দিয়েছে আইসিসি, পুরো ক্রিকেট বিশ্বের এমন সমালোচনার তাপে পুড়তে হয়েছে ভারতকে।

তবে মাঠের সেরা ক্রিকেটে টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েই সব সমালোচনার জবাব দিলো ভারত। আর ২৯ দিনের দীর্ঘ অভিযাত্রা শেষে দক্ষিণ আফ্রিকাও দেখালো তারাও যোগ্য ফাইনালিস্ট।

পবিত্র কুন্ডু ।। ক্রীড়া সাংবাদিক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪, ২:৫০ অপরাহ্ণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ২৪(এল) ধারার ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ ১৭ জুলাই, ২০২৪ বুধবার সকাল ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী সংঘর্ষে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের আহত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়:

dhakapost

১. উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ২৪(এল) ধারার ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো।

২. আজ ১৭ জুলাই ২০২৪ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব আবাসিক হল/হোস্টেলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের হল/হোস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হলো। পরবর্তীতে হল খোলার পর মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ করে শিক্ষার্থীদের হলে ওঠানো হবে। বহিরাগত কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও অবস্থান না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।

৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

৪। বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সমাধানের জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানানো হলো।

এর আগে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সারা দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শ্রেণি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাত ১১টায় দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশনা দেয় ইউজিসি। কমিশনের সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল, টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য কলেজসহ সব কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশনা দিয়ে নিরাপদ আবাসস্থলে অবস্থানের নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

এছাড়া, রাত সাড়ে ১০টা ২০ মিনিটে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় বিষয়টি বিবেচনায় অনির্দিষ্টকালের সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সব কলেজ ও প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য  ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

শনিবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় উপজেলা কমপ্লেক্স পৌঁছে জরুরি বিভাগ, কমিউনিটি ভিশন সেন্টার, বিভিন্ন কনসালট্যান্টের রোগীদের সেবা প্রদানের দপ্তর  পরিদর্শন করেন, ডেলিভারির লেভার কক্ষ পরিদর্শন করেন ।

এইখানে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের সাথে কথা বলেন। তাছাড়া কমপ্লেক্সের বেডে ভর্তিকৃত চিকিৎসাধীন রোগীদের দেখেন এবং চিকিৎসা সেবা বিষয়ে রোগীদের সাথে কথা বলেন। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

তিনি চিকিৎসকের নানাবিধ সমস্যার বিষয়ে তাঁর প্রত্যক্ষ ধারনা রয়েছে বলে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন তাঁর প্রচেস্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার বিষয়ে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন।  এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নরমাল ডেলিভারির জন্য কমপ্লেক্সের দায়িত্ব প্রাপ্ত চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে হাসপাতালের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, স্বাস্থ্য সেবার উন্নতির জন্য আন্তরিকভাবে চেস্টা করবেন বলে জানান।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা,  রংপুর বিভাগীয় সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোস্তফা জামান চৌধুরী, দিনাজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ এ এইচ এম বোরহান-উল-ইসলাম সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে এলাহী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরিয়াস সাঈদ সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ ডা: মোহাম্মদ মহসিন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আফরোজা সুলতানা লুনা এবং কনসালটেন্টবৃন্দ সহ ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম

দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ৬ নং নিজপাড়া ইউনিয়নের ৩ এর (ক) ইউনিটে পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন মোছা: মরিয়ম বেগম

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম ২০২৩-২০২৪ সালে পরিবার পরিকল্পনা সেবা, গর্ভবতী মা ও শিশু সেবা, কিশোর কিশোরীর প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা, প্রসবোত্তর সেবা ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ অবদান রাখায় মোছা: মরিয়ম বেগম অষ্টম বারের মত বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী (F.W.A) নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি ইতিপূর্বে জাতীয় পর্যায়ে দুইবার ও বিভাগীয় পর্যায়ে ছয়বার শ্রেষ্ঠ কর্মী-পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে নির্বাচিত হন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সম্মাননা হিসেবে ২০১৭ সালে চীন দেশ ভ্রমণ করেন ।

বৃহস্পতিবার (১১জুলাই, ২০২৪) সকাল ১০ঃ৩০ মিনিটে রংপুর সিভিল সার্জন মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী নির্বাচিত হওয়ায় তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও প্রশংসাপত্র প্রদান করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার জনাব মো. জাকির হোসেন, রংপুর বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. এ.বি.এম আবু হানিফ, রংপুর জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ মোবাশ্বের হাসান, রংপুর সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা জামান চৌধুরী, রংপুর উপ-পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা ডা. শেখ মোঃ সাইদুল ইসলাম ও সভাপতি- পরিবার পরিকল্পনা-রংপুর জনাব মোঃ এনামুল হক। এ বিষয়ে মোছা : মরিয়ম বেগম বলেন, এ সাফল্যের অংশীদার আমার মেডিকেল অফিসার (MCHFP)ডা. মো :নাহিদুজ্জামান  ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, জনাম মো: ওবায়দুর রহমান, (বীরগঞ্জ)

আমার এই শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারটি সকল সহকর্মী ও ইউনিয়নের জনসাধারণের। ইনশাল্লাহ এভাবেই আমি আমার অবদান পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে দিয়ে যাব।

উত্তরের কন্ঠ /এ,এস

"> ">
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম বীরগঞ্জে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন দীর্ঘদিন ধরে সাব-রেজিস্ট্রারের পদ শূন্য থাকায় বিপাকে জমি ক্রেতা ও গ্রহিতা, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার নরসিংদীতে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত ৫ জনকে পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান কোমর দুলিয়ে ঝড় তুললেন পারসা ইভানা যারা অবৈধ অনুপ্রবেশ করেন তারাই বিএসএফের হাতে মারা পড়ছেন আটোয়ারীতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল নানি-নাতনির জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন লেগ স্পিনার রিশাদ কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা হাজীগঞ্জে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার আবেদ আলীর কাছে চাকরি প্রার্থীদের নিয়ে যেতেন প্রিয়নাথ আবেদ আলীসহ ৪ আসামির জামিন নামঞ্জুর গুজরাটে ১০ পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে গেলেন দুই হাজার প্রার্থী বর্ষায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে তুলসি পাতা মালয়েশিয়ায় ১২ বাংলাদেশি আটক আমদানি এলসি সামান্য বাড়লেও কমেছে নিষ্পত্তি দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা হরিজন সম্প্রদায়ের কুবি উপাচার্যকে দেখেই ক্ষেপে গেলেন শিক্ষার্থীরা, জুতা নিক্ষেপ গাজীপুরে কাঁঠাল পাড়া নিয়ে মেয়েকে গলা কেটে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুর খনন করতে গিয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হঠাৎ দুই ভাইয়ের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে সন্দেহ হয় এলাকাবাসীর হৃতিকের ‘ওয়ার ২’ ছবিতে থাকছে বড় চমক চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে প্রাণ গেল তিনজনের বগুড়ায় ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪ বীরগঞ্জে ডাকবাংলো ও জেলা পরিষদের জমি ডাক্তার খানা মাঠে মার্কেট নির্মাণ বিষয়ক আলোচনা সভা বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক নির্বাচিত হলেন মো: শাহীনুর ইসলাম কাহারোলে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন দুই দিনের সফরে উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী