খুঁজুন
রবিবার, ২১ জুলাই, ২০২৪, ৬ শ্রাবণ, ১৪৩১

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি

আপনি কি বাজারে যান?

প্রভাষ আমিন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪, ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ
আপনি কি বাজারে যান?

মানুষের মৌলিক অধিকার হলো অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান; এই তিনটির মধ্যে মৌলিকতম হলো অন্ন। উপায় না থাকলে মানুষ খোলা আকাশের নিচে, ফুটপাতে, রেলস্টেশনে, গাছতলায়ও থাকতে পারে। ন্যূনতম বস্ত্রেও মানুষের চলে যায় বা এক পোশাকে অনেকদিন চালিয়ে নেওয়ার উদাহরণও কম নয়।

প্রায় বস্ত্রহীন হয়ে খোলা আকাশের নিচেও মানুষ বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু খাওয়া ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। যত নিঃস্ব হোক আর হাজার কোটিপতি হোক, দিনে অন্তত তিনবেলা তাকে খেতেই হয়। এখানেই আটকে গেছে বাংলাদেশের মানুষ। দুই বেলা দুই মুঠো খাবার জোগাড় করতেই এখন বাংলাদেশের মানুষের নাভিশ্বাস। বেঁচে থাকাই বড় দায় হয়ে গেছে।

আওয়ামী লীগ টানা চার মেয়াদে সরকার পরিচালনা করছে। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর এবার আওয়ামী লীগের লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক উন্নয়ন। তারা সেই লক্ষ্যে এগোচ্ছিলও দারুণভাবে। এটা মানতেই হবে, দেড় দশকে বাংলাদেশের যত উন্নয়ন হয়েছে, আগের পাঁচ দশকেও তা হয়নি।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ অনেক ইতিহাসের সাক্ষী করেছে বাংলাদেশকে। কিন্তু ধাক্কাটা লাগে করোনা এসে। করোনায় গোটা বিশ্বের অর্থনীতিই স্থবির হয়ে গিয়েছিল। সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অর্থনীতিতে প্রবল চাপ সৃষ্টি করে। সেই চাপ আর কাটিয়ে ওঠা যায়নি।

সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯-এর ওপরে। আর খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছাড়িয়ে গিয়েছিল ১০ শতাংশ। তার মানে খাবারের দাম বেড়েছে ১০ শতাংশ হারে। কিন্তু মানুষের আয় সেই অনুপাতে বাড়েনি। ফলে সাধারণ মানুষ চরম চাপের মুখে পড়েছে। সরকারের বাজেটেও আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি। কিন্তু সরকার দেশি-বিদেশি নানা উৎস থেকে ঋণ নিয়ে তাদের ঘাটতি সামাল দেয়। সাধারণ মানুষের সেই সুযোগ নেই। তাই তাদের চাপ ক্রমশ বাড়তে থাকে।

কারও এক বিকালের চায়ের আড্ডার খরচ, অনেক পরিবারের সারা মাসের খরচকে ছাড়িয়ে যায়। বিলাসিতার কথা যদি বাদও দেই, সাধারণ মানুষকে তো বাঁচার জন্য হলেও খেতে হবে।

তাহলে সাধারণ মানুষ টিকে আছে কীভাবে? এই প্রশ্নের আসলে কোনো উত্তর নেই। সব মানুষের বছরের বা মাসের আয়-ব্যয়ের একটা হিসাব থাকে। কিছু খরচ আছে নির্ধারিত। বাসা ভাড়া, সন্তানের পড়াশোনার খরচ, চিকিৎসা ব্যয়, পত্রিকা, ইন্টারনেট, ময়লা ফেলার খরচ, বাসার সহকারীর বেতন—এগুলো হুট করে কমানোর কোনো উপায় নেই। ফলে ব্যয় বাড়ার মূল চাপ পড়ে বাজার খরচে। কিন্তু সেই জায়গায় ব্যয় বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। ফলে বাজারে গিয়ে মানুষের দিশেহারা অবস্থা।

আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণকেই এক নম্বর অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছিল। বাজেটেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু খালি কথায় চিড়া ভেজে না, ভিজবেও না। কথা হয়েছে অনেক, কাজ হয়নি কিছুই। বাজারে হাহাকার চলছেই। কারও যেন কোনো মাথাব্যথা নেই।

অন্ন মানুষের মৌলিকতম চাহিদা বটে। তবে খাবারেরও অনেক ধরন আছে। মানুষের একদম বেঁচে থাকার জন্য যেমন খেতে হয়। আবার অনেকের কাছে খাবার মানেই বিলাসিতা। কারও এক বিকালের চায়ের আড্ডার খরচ, অনেক পরিবারের সারা মাসের খরচকে ছাড়িয়ে যায়। বিলাসিতার কথা যদি বাদও দেই, সাধারণ মানুষকে তো বাঁচার জন্য হলেও খেতে হবে।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে পাল্লা দিয়ে মানুষের জীবনযাত্রার মানও বেড়েছিল। বাঁচার জন্য খাওয়ার পাশাপাশি সুষম খাদ্যের কথাও ভাবছিলেন কেউ কেউ। দাম বাড়ার সাথে পাল্লা দিয়ে কমেছে খাওয়ার মান, হারিয়ে গেছে সুষম খাদ্যের ভাবনা।

নিম্নবিত্তের মানুষ তবু চেয়ে চিন্তে, সরকারের নানা সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় কিছুটা সুরক্ষা পায়। কিন্তু সমস্যা হলো মধ্যবিত্ত আর নিম্ন মধ্যবিত্তের। তারা না পারে কইতে না পারে সইতে। তারা লাইনেও দাঁড়াতে পারে না, আবার বাজারেও যেতে পারে না। আগেই বলেছি, দাম বাড়ার সাথে সাথে সুষম খাদ্যের ভাবনাটা হারিয়ে গেছে। সন্তানকে প্রতিদিন একটা ডিম খাওয়ানো বা দুধ খাওয়ানো এখন বিলাসিতা। অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার আছে মাসে বা দুই মাসে মাংসের দেখা পায়।

অন্য কোথাও যেহেতু হুট করে খরচ কমানোর উপায় নেই, তাই মূল চাপটা পড়েছে বাজারে মানে খাবারে। সব ধরনের বিলাসিতা বাদ দিয়ে বেঁচে থাকাই দায়। বাংলাদেশে জিনিসপত্রের দাম একবার বাড়লে আর কমার নাম নেই। অল্প অল্প করে বাড়তে বাড়তে সব জিনিসের দামই এখন নাগালের বাইরে।

যে পরিবার নাজিরশাইল চাল খেতো, তারা হয়তো মোটা চালে চলে গেছে। কিন্তু মোটা চালের দামও চিকন চালকে ছাড়িয়ে গেছে। মানুষ বাজারে গিয়ে চাষের সস্তা মাছ আর ফার্মের মুরগি খোঁজে। কিন্তু মাছ আর মুরগির দামও বেড়েছে। যারা নিয়মিত বাজার করেন, তাদের অবস্থা খারাপ। কোন মাছের সাথে কোন তরকারি মেলাবেন; সেই হিসাব মেলাতেই সময় ফুরিয়ে যায়।

সমস্যা হলো, চাল, ডাল, আটা, পেঁয়াজ, মাছ, মাংসের দামে আমাদের নীতিনির্ধারকদের কিছু যায় আসে না। তারা নিজেরা বাজার করেন না…

সবজি খেয়ে দিন পার করবেন, সেই উপায়ও নেই। সব সবজির দামই সেঞ্চুরির কাছাকাছি। বাজারে গিয়ে মানুষের এই অসহায়ত্ব দেখা যায়। কোনো কিছুতে হাত দেওয়ার উপায় নেই। মানুষ অল্প টাকা বাঁচানোর জন্য দীর্ঘসময় দর কষাকষি করে। শেষে রুই মাছ কিনতে গিয়ে পাঙাশ কিনে ফেরে। মাছ একটু পচা হলে দাম একটু কম। সবজিও একটু পচা হলে কিনতে সুবিধা হয়। আগে মানুষ পচা জিনিস দেখতো না কেনার জন্য। আর এখন দেখে কম দামে কেনার জন্য।

নিয়মিত দাম বাড়ার প্রবণতা তো আছেই। মাঝে মাঝে দুয়েকটা পণ্যে আগুন লাগিয়ে দেয় বাজার সিন্ডিকেট। কখনো ডিম, কখনো মুরগি, কখনো পেঁয়াজ, কখনো আলুও আকাশে উড়ে যায়।

বাজারের এই হাহাকার নীতিনির্ধারকদের কান পর্যন্ত পৌঁছায় বলে মনে হয় না। তারা খুব নির্বিকার চিত্তে বলেন, জিনিসপত্রের দাম যেমন বেড়েছে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বেড়েছে। কিন্তু দাম কতটা বেড়েছে, আর ক্রয়ক্ষমতা কতটা বেড়েছে; সেই হিসাবটা তারা করেন না। করেন না, কারণ এইসব হিসাবনিকাশে তাদের কিছু যায় আসে না। তাদের কাছে বাজারদর মানেই যেন কৌতুক। সেই কৌতুকের মতো। চালের দাম বেড়েছে বলে মানুষ ভাত খেতে পাচ্ছে না। শুনে রাজা বললেন, তাহলে তাদের পোলাও খেতে বলো।

সমস্যা হলো, চাল, ডাল, আটা, পেঁয়াজ, মাছ, মাংসের দামে আমাদের নীতিনির্ধারকদের কিছু যায় আসে না। তারা নিজেরা বাজার করেন না, আর এইসব শ বা হাজারের কথায় তাদের কিছু যায় আসে না। তাদের হিসাবনিকাশ লাখে বা কোটিতে। আগেই বলেছি, যাদের এক বিকালের চায়ের আড্ডা বিল ১০ হাজার টাকা, তাদের কাছে বাজারদর কোনো বিষয় নয়।

দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও বাজার দর নিয়ে কোনো কথা নেই, আন্দোলন নেই। কোটার দাবিতে ঢাকা অচল হয়ে যায় আর বাজারে মানুষের জীবন অচল হয়ে বসে আছে অনেক আগেই। আন্দোলন নেই, কারণ মধ্যবিত্তের কোনো ভয়েস নেই, কোনো সংগঠন নেই। তারা শুধু অ্যাডজাস্ট করে এবং টিকে থাকে।

মান কমাতে কমাতে একদম নিচের ধাপে নেমে যায়। বাসা বদল করে সস্তা বাসায় যায়। একদম না পারলে গ্রামে চলে যায়। মানুষ আসলে টিকে আছে কোনোরকমে না ভাসিয়ে। এভাবেও বেঁচে থাকা যায় বটে। কিন্তু একদিন টুপ করে ডুবে যাবে, কেউ টেরও পাবে না।

প্রভাষ আমিন ।। বার্তা প্রধান, এটিএন নিউজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪, ২:৫০ অপরাহ্ণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ২৪(এল) ধারার ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ ১৭ জুলাই, ২০২৪ বুধবার সকাল ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী সংঘর্ষে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের আহত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়:

dhakapost

১. উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ২৪(এল) ধারার ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো।

২. আজ ১৭ জুলাই ২০২৪ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব আবাসিক হল/হোস্টেলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের হল/হোস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হলো। পরবর্তীতে হল খোলার পর মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ করে শিক্ষার্থীদের হলে ওঠানো হবে। বহিরাগত কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও অবস্থান না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।

৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

৪। বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সমাধানের জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানানো হলো।

এর আগে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সারা দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শ্রেণি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাত ১১টায় দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশনা দেয় ইউজিসি। কমিশনের সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল, টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য কলেজসহ সব কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশনা দিয়ে নিরাপদ আবাসস্থলে অবস্থানের নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

এছাড়া, রাত সাড়ে ১০টা ২০ মিনিটে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় বিষয়টি বিবেচনায় অনির্দিষ্টকালের সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সব কলেজ ও প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য  ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

শনিবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় উপজেলা কমপ্লেক্স পৌঁছে জরুরি বিভাগ, কমিউনিটি ভিশন সেন্টার, বিভিন্ন কনসালট্যান্টের রোগীদের সেবা প্রদানের দপ্তর  পরিদর্শন করেন, ডেলিভারির লেভার কক্ষ পরিদর্শন করেন ।

এইখানে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের সাথে কথা বলেন। তাছাড়া কমপ্লেক্সের বেডে ভর্তিকৃত চিকিৎসাধীন রোগীদের দেখেন এবং চিকিৎসা সেবা বিষয়ে রোগীদের সাথে কথা বলেন। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

তিনি চিকিৎসকের নানাবিধ সমস্যার বিষয়ে তাঁর প্রত্যক্ষ ধারনা রয়েছে বলে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন তাঁর প্রচেস্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার বিষয়ে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন।  এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নরমাল ডেলিভারির জন্য কমপ্লেক্সের দায়িত্ব প্রাপ্ত চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে হাসপাতালের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, স্বাস্থ্য সেবার উন্নতির জন্য আন্তরিকভাবে চেস্টা করবেন বলে জানান।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা,  রংপুর বিভাগীয় সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোস্তফা জামান চৌধুরী, দিনাজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ এ এইচ এম বোরহান-উল-ইসলাম সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে এলাহী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরিয়াস সাঈদ সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ ডা: মোহাম্মদ মহসিন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আফরোজা সুলতানা লুনা এবং কনসালটেন্টবৃন্দ সহ ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম

দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ৬ নং নিজপাড়া ইউনিয়নের ৩ এর (ক) ইউনিটে পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন মোছা: মরিয়ম বেগম

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম ২০২৩-২০২৪ সালে পরিবার পরিকল্পনা সেবা, গর্ভবতী মা ও শিশু সেবা, কিশোর কিশোরীর প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা, প্রসবোত্তর সেবা ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ অবদান রাখায় মোছা: মরিয়ম বেগম অষ্টম বারের মত বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী (F.W.A) নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি ইতিপূর্বে জাতীয় পর্যায়ে দুইবার ও বিভাগীয় পর্যায়ে ছয়বার শ্রেষ্ঠ কর্মী-পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে নির্বাচিত হন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সম্মাননা হিসেবে ২০১৭ সালে চীন দেশ ভ্রমণ করেন ।

বৃহস্পতিবার (১১জুলাই, ২০২৪) সকাল ১০ঃ৩০ মিনিটে রংপুর সিভিল সার্জন মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী নির্বাচিত হওয়ায় তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও প্রশংসাপত্র প্রদান করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার জনাব মো. জাকির হোসেন, রংপুর বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. এ.বি.এম আবু হানিফ, রংপুর জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ মোবাশ্বের হাসান, রংপুর সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা জামান চৌধুরী, রংপুর উপ-পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা ডা. শেখ মোঃ সাইদুল ইসলাম ও সভাপতি- পরিবার পরিকল্পনা-রংপুর জনাব মোঃ এনামুল হক। এ বিষয়ে মোছা : মরিয়ম বেগম বলেন, এ সাফল্যের অংশীদার আমার মেডিকেল অফিসার (MCHFP)ডা. মো :নাহিদুজ্জামান  ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, জনাম মো: ওবায়দুর রহমান, (বীরগঞ্জ)

আমার এই শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারটি সকল সহকর্মী ও ইউনিয়নের জনসাধারণের। ইনশাল্লাহ এভাবেই আমি আমার অবদান পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে দিয়ে যাব।

উত্তরের কন্ঠ /এ,এস

"> ">
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম বীরগঞ্জে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন দীর্ঘদিন ধরে সাব-রেজিস্ট্রারের পদ শূন্য থাকায় বিপাকে জমি ক্রেতা ও গ্রহিতা, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার নরসিংদীতে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত ৫ জনকে পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান কোমর দুলিয়ে ঝড় তুললেন পারসা ইভানা যারা অবৈধ অনুপ্রবেশ করেন তারাই বিএসএফের হাতে মারা পড়ছেন আটোয়ারীতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল নানি-নাতনির জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন লেগ স্পিনার রিশাদ কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা হাজীগঞ্জে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার আবেদ আলীর কাছে চাকরি প্রার্থীদের নিয়ে যেতেন প্রিয়নাথ আবেদ আলীসহ ৪ আসামির জামিন নামঞ্জুর গুজরাটে ১০ পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে গেলেন দুই হাজার প্রার্থী বর্ষায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে তুলসি পাতা মালয়েশিয়ায় ১২ বাংলাদেশি আটক আমদানি এলসি সামান্য বাড়লেও কমেছে নিষ্পত্তি দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা হরিজন সম্প্রদায়ের কুবি উপাচার্যকে দেখেই ক্ষেপে গেলেন শিক্ষার্থীরা, জুতা নিক্ষেপ গাজীপুরে কাঁঠাল পাড়া নিয়ে মেয়েকে গলা কেটে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুর খনন করতে গিয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হঠাৎ দুই ভাইয়ের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে সন্দেহ হয় এলাকাবাসীর হৃতিকের ‘ওয়ার ২’ ছবিতে থাকছে বড় চমক চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে প্রাণ গেল তিনজনের বগুড়ায় ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪ বীরগঞ্জে ডাকবাংলো ও জেলা পরিষদের জমি ডাক্তার খানা মাঠে মার্কেট নির্মাণ বিষয়ক আলোচনা সভা বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক নির্বাচিত হলেন মো: শাহীনুর ইসলাম কাহারোলে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন দুই দিনের সফরে উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী