খুঁজুন
রবিবার, ২১ জুলাই, ২০২৪, ৬ শ্রাবণ, ১৪৩১

সর্বজনীন পেনশন প্রত্যয় স্কিম

কী ঘটছে এবং কোথায় কী চাল?

মানস চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুলাই, ২০২৪, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
কী ঘটছে এবং কোথায় কী চাল?

কথা ছিল ৪ জুলাই ২০২৪ সকাল ১১টা নাগাদ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আলোচনায় বসবেন আন্দোলনরত শিক্ষকদের সাথে। কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া তা জানিয়েছিলেন। আমরা এও জেনেছিলাম যে এই আমন্ত্রণ কিংবা বসার বন্দোবস্ত করেছিলেন ছাত্রলীগের একজন সাবেক নেতা। সরল মনের মহাসচিব তা জানানোর পর বহু শিক্ষকের মনেই এই প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল ‘তাই বলে এইভাবে?’ কিন্তু কেন জনাব মহাসচিবের ঠিক এই রাস্তাটাই খোলা ছিল কিংবা কেন তিনি মন্ত্রী মহোদয়কেই ক্যাম্পাসে চায়ের আমন্ত্রণ গ্রহণ করতে অনুরোধ করেননি সেইসব প্রশ্ন বর্তমান বাংলাদেশে করলেও চলে, না করলেও চলে। সর্বোপরি, এই আন্দোলনের নেতৃত্ব অবধারিতভাবে যাদের হাতে তারা সরকারেরও উৎকট অনুগত বটে। ১০ বছরে এই পেশাজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে এই নেতৃবৃন্দ কী ধরনের ন্যুব্জ আচরণ ক্রমাগত জারি রেখেছেন তা নিয়ে যাদের স্মৃতি জাগরূক আছে তারা এসব প্রশ্নকে নিরর্থকই বিবেচনা করেন।

শিক্ষকদের আন্দোলনে যুক্ত সব শিক্ষকই। আর বলাই বাহুল্য, এতে বিপুল সংখ্যক প্রকাশ্য সরকারি দলের সমর্থক শিক্ষকেরা আছেন। এদের সংখ্যাটা এখন দেশে এত বড় যে কখনো কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর মানে আনুগত্য প্রদর্শনই কিনা এই প্রশ্নও আমাদের ভাবিত করে। তারপরও কয়েক দিনের ঘটনাক্রমে অন্তত কয়েকটা ছোটবড় ঘটনা ঘটেছে, অনেকেই জানতে শুরু করেছেন আন্দোলনটা আসলে কী নিয়ে। যতই প্রচুর লোক এখনো শিক্ষকবিদ্বেষী গড়গড়া কথা বলুন না কেন, অনেকেই আন্দোলনের যাথার্থ্য সম্বন্ধে আগের থেকে অনেক বেশি বুঝতে শুরু করেছেন। শিক্ষার্থীদের কিছু অংশ যারা বৃহত্তর সমস্যাগুলো নিয়ে কয়েক বছর ধরে ভাবিত তারা এই আন্দোলনকে নিয়ে নিজেদের অবস্থান বলবার দায়িত্ব বোধ করতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ এমনকি আরেকটু এগিয়ে গিয়ে তাদের ‘কোটাসংস্কার আন্দোলনের’ পক্ষে শিক্ষকদের অংশগ্রহণের প্রস্তাব দেওয়ার কারণ খুঁজে পেয়েছেন। সর্বোপরি, সরকার সেই চিরপুরাতন ফর্মুলাতে এই আন্দোলন থেকে বিরোধী দল সুফল নিতে চাইছে বলে প্রোপাগান্ডাটা চালু করার মতো গুরুত্ব দিতে শুরু করেছেন। সব মিলে পরিস্থিতি অতটা গৌণ নয়। একদম গোপন দানে (দাবার দান অর্থেও, অনুদান অর্থেও) নেতৃবৃন্দ বা একাংশ কুপোকাত হয়ে না গেলে খুব একটা গলি আর খোলা নেই যেখানে এরা আন্দোলনকারী অংশ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য ঢুকে পড়তে পারবেন।

গোড়াতেই নেতৃবৃন্দ এই স্কিমকে ‘বৈষম্যমূলক’ বলে এসেছেন। আর তাতে এমন একটা বাতাসি তুলনা মনে জাগ্রত হতে পারে যে তুলনাটা কার সাথে করা হবে তার দিকনির্দেশনা নেই। বস্তুত, এই স্কিমটাকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আবশ্যিক করে ঘোষণা দেওয়াটা প্রতারণামূলক….

এতকিছুর পরও ‘প্রত্যয় স্কিম’ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আপত্তির জায়গাগুলো অনেক কৌতূহলী নাগরিকও ঠিকমতো বুঝে উঠতে পারছিলেন না। শেষ কয়দিনে কিছু দৈনিক একদম হিসাবনিকাশ করে শিক্ষকদের ক্ষতির বিবরণী প্রকাশ করাতে কিছুটা সুবিধা হয়েছে। অন্তত এই ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষকদের একাংশ মনোযোগী বিশ্লেষণ করেছেন ও উপাত্ত ছেড়েছেন। তারা ও পত্রিকাগুলো এই কৃতজ্ঞতা সব শিক্ষকের কাছ থেকেই পাবেন। তবে এই না বুঝতে পারার কিছু দায় আন্দোলনরত শিক্ষকদের নেতৃবৃন্দের আছে বলে আমি মনে করি। খুব স্পষ্টভাবে মনে করি। গোড়াতেই নেতৃবৃন্দ এই স্কিমকে ‘বৈষম্যমূলক’ বলে এসেছেন। আর তাতে এমন একটা বাতাসি তুলনা মনে জাগ্রত হতে পারে যে তুলনাটা কার সাথে করা হবে তার দিকনির্দেশনা নেই। বস্তুত, এই স্কিমটাকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আবশ্যিক করে ঘোষণা দেওয়াটা প্রতারণামূলক, বরখেলাপমূলক ও চালিয়াতিমূলক। প্রতারণামূলক কারণ সরকারের সম্প্রচারে (বা প্রোপাগান্ডাতে) মনে হবে যেন বা সব স্বায়ত্তশাসিত এবং/বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্তদের বিধিবদ্ধ সুবিধাদি এক রকমের, সমধর্মী। বাস্তবে একেবারেই তা নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের (শিক্ষকসমেত) অবসরকালীন সুবিধাদি স্বতন্ত্রভাবে লিপিবদ্ধ ও চর্চিত আছে। তা আর পাঁচটা দেশের তুলনায় ভালো কিনা (তা তো বেতন বলতেও শ্রীলঙ্কার কলিগের কাছেই লজ্জা লাগে আমাদের) সেইটা আরেক প্রশ্ন, কিন্তু বিদ্যমান বেতন কাঠামোর সাথে আনুপাতিকভাবে স্বতন্ত্র ছিল সেটাই বলছি। স্কিমটাকে আবশ্যিক করা বরখেলাপমূলকও বটে। কারণ, যে লিখিত চুক্তি ও অলিখিত ‘প্রত্যয়’ রাষ্ট্রচালক হিসেবে সরকারের/সরকারসমূহের সাথে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছিল, সেই চুক্তি ও প্রত্যয়ের/আস্থার বরখেলাপ হয়েছে এই উদ্যোগে। কৌতুকের যে হয়েছে ‘প্রত্যয়’ নামের একটা স্কিম দিয়ে। এটা চালিয়াতিমূলকও বটে। সংখ্যায় ও শিক্ষা গুরুত্বে এত বড় একটা পেশার লোকজনের সাথে আগাম কোনোরকম আলোচনা না করে (যতই লোকদেখানো আলোচনা হোক না কেন) এরকম স্কিমের আবশ্যিক প্রয়োগ চালিয়াতি।

তাহলে দেখা যাচ্ছে, যে অভিযোগ সরকারের এবং স্কিমটির বিরুদ্ধে করার কথা সেই অভিযোগের স্পষ্টতার অভাবে একটা বাতাসি পদপ্রয়োগ করে পরিস্থিতিটাকে বুঝতে দিতে যথেষ্ট পারঙ্গমতা আমাদের নেতারা দেখাননি। ‘বৈষম্যটা’ কোথায় হলো এবং কীসের সাপেক্ষে তা দু-চার শব্দে বোঝানোর জন্য ‘পাঞ্চলাইন অভিযোগ’ ভিন্ন হতে হতো। উপরন্তু, যেসব প্রতিষ্ঠানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এযাবৎকাল-পর্যন্ত-সংগঠিত অবসর ভাতাদির বন্দোবস্ত ছিল না, সেইখানে এই স্কিমটির সুফল থাকতে যে পারে সেই উল্লেখটিও জরুরি ছিল শিক্ষকদের পক্ষে। সুফল থাকতে পারে বলতে, অবশ্যই ধরে নিতে হবে আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সরকারের সদিচ্ছার প্রতি দেশবাসী আস্থাশীল। বাস্তবে বর্তমান সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আস্থাশীল লোক সরকারি দলের অনুসারীদের মধ্যেও আছে কিনা তা গোপনে গুণে দেখতে হবে। কিন্তু, বলতে চাইলাম, ভালো হৃদয়ের ব্যবস্থাপকেরা আর্থিক দেখভাল করছেন ধরে নিলে, ‘প্রত্যয়’ স্কিমটাও সততার সাথে প্রতিপালিত হবে ধরে নিলে, এই স্কিমটার কিছু লাভপ্রাপ্ত গোষ্ঠীও থাকতে পারে।

সবাই জানেন ৫/৬টা বিশ্ববিদ্যালয় বাদ দিলে মোটের ওপর পড়ালেখার মান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলাপ না-করাই মঙ্গল। এবং শিক্ষকদের বেতনকাঠামো ও ভাতাদি অকথ্য পর্যায়ের সেইসবে। পাবলিক শিক্ষকেরা চুপ!

তবে এই মুহূর্তে স্কিমটির মেরিট কিংবা আন্দোলনকারীদের নেতাদের কৌশল (ও কোমর) নিয়ে পর্যালোচনা আমার আগ্রহ নয়। যদিও কিছু কথা বলাই হলো, তবে আমার মনে হয় না যে আমি ব্যাখ্যা না করলে শেষোক্ত বিষয় নিয়ে মনোযোগী ঘটনা-পাঠকরা খুব ভুলভাল বুঝবেন। শিক্ষক নেতাদের দৃঢ়তা ও কৌশল-তীক্ষ্ণতা নিয়ে খুব উচ্চাশা অন্য পেশাজীবীদের মধ্যেও খুব একটা আমি লক্ষ্য করিনি। যাই হোক, আমার আগ্রহ সব পক্ষের কিছু কলাকৌশল ও চাল-দান নিয়ে বলার, যতটুকুই হোক। তবে এ কথা ঠিকই যে, সরকারের সব চাল/দান আমি বুঝতে পারলেও এখানে ভেঙে বলব না। তা কেবল ভয়ের কারণে নয়। বরং, সরকারের মধ্যেও নানান মাত্রার বুদ্ধিমান (বা -হীন), নানান রকমের অভিলক্ষ্যের, নানান কারসাজির লোক থাকার কথা। তারা সকলেই সরকারের দূরপাল্লার চাল বুঝে নাও থাকতে পারেন। আমি চাই না যে আমার রচনাটি তারা পড়ে ফেলে সবটা বুঝে ফেলুন। তাতে আমাদের লাভ নেই। কিন্তু আমি নিশ্চিত করছি যে দূরপাল্লার চাল আমি নখদর্পণের মতো দেখতে পাই। সেই চালে তারা জিতবেন নাকি আপাতত একটা ‘বিজয়’ নিয়ে সরল মনের নেতৃবৃন্দ ফিরবেন তা অন্য প্রসঙ্গ এবং তা এখনো কিছু শর্তসাপেক্ষ ঘটনাক্রম উদ্ভূত হওয়ার সাথে সম্পর্কিত।

এখন তাহলে কী দাঁড়ালো? আমি যা নিয়ে বলতে আগ্রহ বোধ করছি, তা নিয়ে বলা আসলে সরকার ও জনপ্রশাসনের মধ্যে থাকা অপেক্ষাকৃত কমবুঝের মানুষদের বাড়তি সুবিধা দেবে। আমি বলবটা কী নিয়ে? বরং আপনাদের বলি যে এই পরিস্থিতি অনায়াসে তৈরি হয়নি। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে সরকার ও জনপ্রশাসকদের (সিভিল ব্যুরোক্রেট) সম্পর্কের অবনতি এবং কূটকৌশলের বেড়াজালে শিক্ষকদের বন্দি করার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টার কিছু অন্তত ব্যাখ্যা আমাদের থাকা দরকার। আমি বরং প্রাথমিক কিছু সূত্র দেই যা কিছুতেই দু-চার-পাঁচ বছরের অতীতের সাথে সম্পর্কিত নয়। এবং সেই জায়গায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দায়মুক্তিও আমি দেখি না।

স্মৃতি হাতড়ান! ১৯৯১ সাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশের বাইরে বিশ্ববিদ্যালয় বানানো শুরু হয়েছে (শাবিপ্রবি ও খুবি)। আপনারা বলবেন ‘তখন তো সরকার আরেকটা ছিল’। আমি বলব ‘আসে যায় না কিছু’। পাবলিক শিক্ষকেরা চুপ! তারপর একটার পর একটা প্রায় জেলায়-জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় বানানো হয়েছে, যার মধ্যে অনেকগুলো আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, এবং ন্যূনতম অবকাঠামো ছাড়াই; এবং স্বতন্ত্র অধ্যাদেশে। পাবলিক শিক্ষকেরা চুপ! ১৯৯২ সালে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট তৈরি হয়েছে। তার ৩৩ বছর পরও অবকাঠামোগত শর্তাদি পূরণে সেইসব বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘বাধ্য করা হয়নি/যায়নি’। সবাই জানেন ৫/৬টা বিশ্ববিদ্যালয় বাদ দিলে মোটের ওপর পড়ালেখার মান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলাপ না-করাই মঙ্গল। এবং শিক্ষকদের বেতনকাঠামো ও ভাতাদি অকথ্য পর্যায়ের সেইসবে। পাবলিক শিক্ষকেরা চুপ! নিরুপায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকেরা ঢাকা এলেন তাদের দাবিদাওয়া নিয়ে, অতি সামান্য সেইসব দাবি। এমনকি পেটচালানির টাকা দাবি। তাদের পিটিয়ে বরণ করল সরকার। শিক্ষকেরা চুপ! পাড়ায় পাড়ায় হওয়া সেইসব ‘পাবলিক’ বিশ্ববিদ্যালয়কে সরকার আদর করে ডাকতে শুরু করল সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। আবারও চুপ! বরং সরকারের অনুগতরাও সেইগুলো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ই বলতে শুরু করলেন। ভিসি নিয়োগের জন্য ব্যাকুল লোকজন বেড়ে গেল। আর ওই জনৈক সাবেক ছাত্রলীগের নেতার মতোই ‘ঘটক’ ছাত্রনেতাদেরও দৌরাত্ম্য শুরু হলো। কিছু কিছু ভিসি জামাজুতা পরার প্রশিক্ষণ পর্যন্ত দিলেন। তাদের নাম দেওয়া হলো প্রিলিমিনারি ট্রেইনিং। আমরা আবারও চুপ! কেউ কেউ ঢাকা থেকে ভিসিগিরি করলেন। চুপ! সামরিক আমলাতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় চালাচ্ছে, অথচ অর্থ জোগানদাতা ইউজিসি। আমরা চুপ! বিশ্বব্যাংক এসে পড়ালেখাকে কিমা বানানোর মেশিনের মতো ফর্মুলায় ফেলে দিলো। আমরা চুপ! শুধু চুপই না আমাদের কলিগেরা ব্যতিব্যস্ত হয়ে সেইসব ‘প্যারামিটার’কে প্রশ্নাতীত থাকতে দিলেন; সেইসব মেটাতে শুরু করলেন। ২০১৫ সালে বেতন কাঠামো নিয়ে আন্দোলনের সময় আমাদের ‘নেতা’রা অমুক বা তমুক পেশার মর্যাদা চেয়ে বসলেন; এবং শেষে অমুকদের পদতলে কলিজা-কলম বন্ধক রেখে আসলেন। আমরা চুপ! পেনশনের সব টাকা দেওয়া হবে না—সরকার ঘোষণা দিলেন। আবারও চুপ! এই তালিকা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেখা যেতে পারে।

এই মুহূর্তে সরকার ডিল করছেন কতগুলো জামাজুতা-পরে, ঠেলাঠেলি করে রাজদর্শনে আগ্রহী, মনে মনে সচিবের চেয়ারের স্বপ্নদেখা, প্রজেক্টের টাকায় বাকুমবাকুম, নিশ্চুপ একদল পেশাজীবীকে। এই হলাম আমরা—পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। আমাদের মতো এই রকম পেশাজীবীদের সাথে সরকার মসকরা করবে না তো কাদের সাথে করবে! দেরি হয়ে গেছে সহকর্মীবৃন্দ! মাজা সোজা করে দাঁড়ান! আপনাদের এই ন্যুব্জতা আর নিশ্চুপ থাকা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকছে।

ড. মানস চৌধুরী ।। অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪, ২:৫০ অপরাহ্ণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ২৪(এল) ধারার ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ ১৭ জুলাই, ২০২৪ বুধবার সকাল ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী সংঘর্ষে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের আহত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়:

dhakapost

১. উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ২৪(এল) ধারার ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো।

২. আজ ১৭ জুলাই ২০২৪ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব আবাসিক হল/হোস্টেলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের হল/হোস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হলো। পরবর্তীতে হল খোলার পর মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ করে শিক্ষার্থীদের হলে ওঠানো হবে। বহিরাগত কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও অবস্থান না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।

৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

৪। বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সমাধানের জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানানো হলো।

এর আগে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সারা দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শ্রেণি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাত ১১টায় দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশনা দেয় ইউজিসি। কমিশনের সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল, টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য কলেজসহ সব কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশনা দিয়ে নিরাপদ আবাসস্থলে অবস্থানের নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

এছাড়া, রাত সাড়ে ১০টা ২০ মিনিটে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় বিষয়টি বিবেচনায় অনির্দিষ্টকালের সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সব কলেজ ও প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য  ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

শনিবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় উপজেলা কমপ্লেক্স পৌঁছে জরুরি বিভাগ, কমিউনিটি ভিশন সেন্টার, বিভিন্ন কনসালট্যান্টের রোগীদের সেবা প্রদানের দপ্তর  পরিদর্শন করেন, ডেলিভারির লেভার কক্ষ পরিদর্শন করেন ।

এইখানে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের সাথে কথা বলেন। তাছাড়া কমপ্লেক্সের বেডে ভর্তিকৃত চিকিৎসাধীন রোগীদের দেখেন এবং চিকিৎসা সেবা বিষয়ে রোগীদের সাথে কথা বলেন। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

তিনি চিকিৎসকের নানাবিধ সমস্যার বিষয়ে তাঁর প্রত্যক্ষ ধারনা রয়েছে বলে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন তাঁর প্রচেস্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার বিষয়ে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন।  এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নরমাল ডেলিভারির জন্য কমপ্লেক্সের দায়িত্ব প্রাপ্ত চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে হাসপাতালের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, স্বাস্থ্য সেবার উন্নতির জন্য আন্তরিকভাবে চেস্টা করবেন বলে জানান।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা,  রংপুর বিভাগীয় সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোস্তফা জামান চৌধুরী, দিনাজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ এ এইচ এম বোরহান-উল-ইসলাম সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে এলাহী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরিয়াস সাঈদ সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ ডা: মোহাম্মদ মহসিন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আফরোজা সুলতানা লুনা এবং কনসালটেন্টবৃন্দ সহ ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম

দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ৬ নং নিজপাড়া ইউনিয়নের ৩ এর (ক) ইউনিটে পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন মোছা: মরিয়ম বেগম

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম ২০২৩-২০২৪ সালে পরিবার পরিকল্পনা সেবা, গর্ভবতী মা ও শিশু সেবা, কিশোর কিশোরীর প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা, প্রসবোত্তর সেবা ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ অবদান রাখায় মোছা: মরিয়ম বেগম অষ্টম বারের মত বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী (F.W.A) নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি ইতিপূর্বে জাতীয় পর্যায়ে দুইবার ও বিভাগীয় পর্যায়ে ছয়বার শ্রেষ্ঠ কর্মী-পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে নির্বাচিত হন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সম্মাননা হিসেবে ২০১৭ সালে চীন দেশ ভ্রমণ করেন ।

বৃহস্পতিবার (১১জুলাই, ২০২৪) সকাল ১০ঃ৩০ মিনিটে রংপুর সিভিল সার্জন মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী নির্বাচিত হওয়ায় তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও প্রশংসাপত্র প্রদান করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার জনাব মো. জাকির হোসেন, রংপুর বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. এ.বি.এম আবু হানিফ, রংপুর জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ মোবাশ্বের হাসান, রংপুর সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা জামান চৌধুরী, রংপুর উপ-পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা ডা. শেখ মোঃ সাইদুল ইসলাম ও সভাপতি- পরিবার পরিকল্পনা-রংপুর জনাব মোঃ এনামুল হক। এ বিষয়ে মোছা : মরিয়ম বেগম বলেন, এ সাফল্যের অংশীদার আমার মেডিকেল অফিসার (MCHFP)ডা. মো :নাহিদুজ্জামান  ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, জনাম মো: ওবায়দুর রহমান, (বীরগঞ্জ)

আমার এই শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারটি সকল সহকর্মী ও ইউনিয়নের জনসাধারণের। ইনশাল্লাহ এভাবেই আমি আমার অবদান পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে দিয়ে যাব।

উত্তরের কন্ঠ /এ,এস

"> ">
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা বীরগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী-২০২৪ হিসেবে নির্বাচিত হলেন মরিয়ম বেগম বীরগঞ্জে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন দীর্ঘদিন ধরে সাব-রেজিস্ট্রারের পদ শূন্য থাকায় বিপাকে জমি ক্রেতা ও গ্রহিতা, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার নরসিংদীতে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত ৫ জনকে পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান কোমর দুলিয়ে ঝড় তুললেন পারসা ইভানা যারা অবৈধ অনুপ্রবেশ করেন তারাই বিএসএফের হাতে মারা পড়ছেন আটোয়ারীতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল নানি-নাতনির জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন লেগ স্পিনার রিশাদ কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা হাজীগঞ্জে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার আবেদ আলীর কাছে চাকরি প্রার্থীদের নিয়ে যেতেন প্রিয়নাথ আবেদ আলীসহ ৪ আসামির জামিন নামঞ্জুর গুজরাটে ১০ পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে গেলেন দুই হাজার প্রার্থী বর্ষায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে তুলসি পাতা মালয়েশিয়ায় ১২ বাংলাদেশি আটক আমদানি এলসি সামান্য বাড়লেও কমেছে নিষ্পত্তি দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা হরিজন সম্প্রদায়ের কুবি উপাচার্যকে দেখেই ক্ষেপে গেলেন শিক্ষার্থীরা, জুতা নিক্ষেপ গাজীপুরে কাঁঠাল পাড়া নিয়ে মেয়েকে গলা কেটে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুর খনন করতে গিয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হঠাৎ দুই ভাইয়ের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে সন্দেহ হয় এলাকাবাসীর হৃতিকের ‘ওয়ার ২’ ছবিতে থাকছে বড় চমক চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে প্রাণ গেল তিনজনের বগুড়ায় ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪ বীরগঞ্জে ডাকবাংলো ও জেলা পরিষদের জমি ডাক্তার খানা মাঠে মার্কেট নির্মাণ বিষয়ক আলোচনা সভা বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক নির্বাচিত হলেন মো: শাহীনুর ইসলাম কাহারোলে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন দুই দিনের সফরে উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী